৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সম্বল কাগজ-পেন, তাতেই মুমূর্ষুকে বাঁচালেন তরুণী ডাক্তাররা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 14, 2016 2:38 pm|    Updated: August 14, 2016 2:38 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  সেনাবাহিনীতে যেমন অফ ডিউটি বলে কিছু হয় না, একই কথা যেন খাটে ডাক্তারদের ক্ষেত্রও৷ যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেই তাঁরা যেন তৈরি৷ কেননা মানুষের শরীর ঈশ্বরপ্রদত্ত, কিন্তু অসুস্থকে সুস্থ করে তোলার গুরুদায়িত্ব তাঁদের কাঁধেই৷ আর সে কাজে যে কোনও বিরতি বা অবসর হয় না, সে কাজও যে করতে হয় যুদ্ধকালীন তৎপরতায়, সম্প্রতি তার নমুনা দেখালেন দুই তরুণী চিকিৎসক৷

ডাঃ সাবিত্রী দেবী ও ডাঃ ফৈজা আঞ্জুম তাঁদের অন্যান্য বন্ধুদের সঙ্গে ট্রেক করে ফিরছিলেন অনন্তগিরি থেকে৷ একটা রেস্তোরাঁর সামনে এসে সকলে নেমেছিলেন বিশ্রাম নিতে৷ অন্যান্য ডাক্তাররা যখন রেস্তোরাঁর ভিতরে, তখন সাবিত্রী, ফৈজা তাঁদের ড্রাইভারের মুখে শুনতে পান, কাছেপিঠেই দুর্ঘটনা ঘটেছে৷ তক্ষুণি সেখানে ছুটে যান তাঁরা৷ দেখতে পান মারাত্মক জখম হয়েছেন এক যাত্রী৷ কিন্তু হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে যেতে গেলে অনেক দেরি হয়ে যাবে৷ প্রাণ বাঁচানো যাবে কি না তা নিয়ে সংশয়৷ অ্যাম্বুল্যান্স আসতেও খানিকটা সময় লাগবে৷ এ অবস্থায় নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে একটুও সময় নিলেন না দুই তরুণী ডাক্তার৷ হাতের কাছে ছিল বলতে স্রেফ খবরের কাগজ আর পেন৷ কিন্তু তাতে দমে তো যাননি, বরং দারুণ উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় রেখেছেন তাঁরা৷ পেন ও কাগজ দিয়েই প্রায় ২৫ মিনিট ধরে সিপিআর বা কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশনের ব্যবস্থা করেন তাঁরা৷ মরণাপন্ন রোগীর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি অবলম্বনেই প্রাণ বাঁচানো হয়৷ ততক্ষণে চলে এসেছে অ্যাম্বুল্যান্স৷ হাসপাতালে পাঠানো হয় ওই ব্যক্তিকে৷ প্রাণ ফিরে পান তিনি৷

কিন্তু সেই মুহূর্তে দুই তরুণী ডাক্তার এগিয়ে না হলে হয়তো কোনওকিছুই সম্ভব হত না৷ চিকিৎসকদের দায়িত্ব যে কতখানি তা যেন দেখিয়ে দিলেন এঁরা দু’জন৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement