BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

আধার তথ্য ফাঁস প্রকাশ্যে এনে বিপাকে সংবাদমাধ্যম, দায়ের এফআইআর

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 7, 2018 6:53 am|    Updated: January 7, 2018 6:53 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক পরিচয়ে বাঁধা পড়ছে গোটা দেশ। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ফোন নম্বর- জরুরি হচ্ছে আধার। সেই আধারেরই তথ্য কিনা ফাঁস হচ্ছে হোয়্যাটসঅ্যাপের খোলা বাজারে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ট্রিবিউন-এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পরই হইচই পড়েছিল গোটা দেশে। এবার ওই সংবাদপত্র ও সাংবাদিকের নামে এফআইআর দায়ের করল ইউআইডিএআই।

৫০০ টাকায় মিলছে ১০০ কোটি আধার কার্ডের তথ্য, ফাঁস অসাধু চক্রের কারসাজি ]

ইউআইডিএআই-এর তরফে ডেপুটি ডিরেক্টর বিএম পট্টনায়েক সংবাদপত্রটির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন। তাঁর এফআইআর-এ নাম আছে সাংবাদিক রচনা খায়রা ও আরও তিন জনের। খবর প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন তাঁরাও প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছিল, সোর্স মারফত এক এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ট্রিবিউন-এর এক সাংবাদিক। ওই এজেন্টকে ৫০০ টাকা দেওয়া হয় পেটিএমে। ১০ মিনিটের মধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপে চলে আসে একটি লগ ইন আইডি ও পাসওয়ার্ড। ওই লগ ইন ও পাসওয়ার্ড দিতেই খুলে যায় আধারের বিপুল তথ্যভাণ্ডার। এখানেই শেষ নয় কেলেঙ্কারির। ওই এজেন্টকে আরও ৩০০ টাকা দিলেই হাতে আসবে এমন একটি সফটওয়্যারের সিডি, যার সাহায্যে আপনি যত খুশি আধার কার্ড প্রিন্ট করতে পারবেন। স্বাভাবিকভাবেই এ খবর প্রকাশমাত্র দেশে শোরগোল পড়ে। আধার তথ্য যে সম্পূর্ণ নিরাপদ এমনটাই বারবার দাবি করে এসেছে ইউআইডিএআই। যদিও সাংবাদিকে অন্তর্তদন্তে উঠে এসেছিল একেবারে বিপরীত ঘটনা। তারপরও অবশ্য আধারের সুরক্ষার পক্ষেই সওয়াল করেছিল সংস্থাটি। তবে শেষমেশ সংবাদপত্র ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হল। এ নিয়ে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি দ্য ট্রিবিউন –এর প্রধান সম্পাদক হরিশ খারে।

আধার দেখাতে না পারায় বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু কার্গিল শহিদের স্ত্রীর ]

প্রসঙ্গত গোপন খবর ফাঁস করে সাংবাদিকদের এর আগেও বহুবার বিপাকে পড়তে হয়েছে। অমিত শাহর পুত্র জয় শাহর ব্যবসায়ের অনৈতিক শ্রীবৃদ্ধির কথা ফাঁস করে তোপের মুখে পড়েছিল ‘দ্য ওয়ার’। এবং সাংবাদিক রোহিনী সিং। যদিও কোনওরকম চাপের মুখে মাথা নত করেননি তিনি। এদিকে আদানি গ্রুপের আর্থিক কেলেঙ্কারি ফাঁস করে বিপাকে পড়েছিল ‘দ্য ইকনোমিক অ্যান্ড পলিটিকাল উইকলি’-র সম্পাদক পরঞ্জয় গুহঠাকুরতা। প্রথমে ম্যাগাজিনে পরে দ্য ওয়ার ওয়েবসাইটে সেটি প্রকাশিত হয়। আদানিদের প্রবল চাপের মুখে সম্পাদকের পদ ছাড়তে হয় তাঁকে। মানহানির মালাও করা হয় বর্ষীয়ান সাংবাদিকের বিরুদ্ধে। কিন্তু শেষমেশ আদানিদের মুখরক্ষা হয়নি।

এবার থেকে ফেসবুক করতেও বাধ্যতামূলক হচ্ছে আধার! ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement