সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মোবাইলে গেম (Mobile games) খেলার নেশা যে মানুষকে কতটা সর্বস্বান্ত করে দিতে পারে, তার আরও একবার প্রমাণ মিলল ইন্দোরে (Indore)। ২৫ বছরের এক পড়ুয়া অনলাইন গেম খেলে টাকা উপার্জনের নেশায় মেতেছিল। শেষ পর্যন্ত সেই ফাঁদেই পা দিয়ে ঋণের জালে জড়িয়ে আত্মহত্যা (Suicide) করতে হল তাঁকে। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
ঠিক কী হয়েছিল? পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইন্দোরের ইন্দ্রপুরী হস্টেলে থাকতেন ২৫ বছরের জিতেন্দ্র ভাস্কলে। পড়াশোনা ফেলে দিনরাত অনলাইন গেমেই ডুবে থাকতেন তিনি। এরপর প্রাইজ মানির লোভে অনলাইন গেমের মাধ্যমে উপার্জনের ফাঁদে পা দেন তিনি। এরপরই শুরু হয় সমস্যা। গেম খেলতে যে টাকার প্রয়োজন, তা জোগাড় করতে বন্ধুবান্ধব কিংবা অন্য চেনা মানুষ, আত্মীয় সকলের থেকেই ধার করা শুরু করেন জিতেন্দ্র। আর ক্রমেই জড়িয়ে যেতে থাকেন ঋণের ফাঁদে।
[আরও পড়ুন: যুদ্ধের আবহে ভারতীয় পড়ুয়াদের নিয়ে ইউক্রেন থেকে দেশে ফিরল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান]
অবশেষে সোমবার গভীর রাতে আত্মহত্যা করেন তিনি। পরের দিন তাঁর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর পকেটে পাওয়া গিয়েছে একটি সুইসাইড নোট। তাতেই লেখা রয়েছে, অনলাইন গেম খেলতে গিয়ে করা বিপুল অঙ্কের ধারের বোঝার ভার সইতে না পেরেই জীবন শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
কত টাকার ঋণ তাঁকে নিতে হয়েছিল, তা অবশ্য জিতেন্দ্র জানাননি। পুলিশ জানাচ্ছে, বহু অনলাইন গেমই প্রাইজ মানির লোভ দেখায়। তেমনই একটি গেমের লোভে পড়েছিলেন জিতেন্দ্র। কিন্তু সেই খেলায় তিনি জিততে পারেননি। ফলে ঋণ শোধ করাও সম্ভব হচ্ছিল না। জিতেন্দ্র পড়াশোনার পাশাপাশি রোজগারের তাগিদে নিরাপত্তা কর্মীর কাজ করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। আর সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার পথই বেছে নিতে হল মধ্যপ্রদেশের হতভাগ্য যুবককে।
[আরও পড়ুন: ‘রাশিয়া-ইউক্রেন ভাই ভাই, যুদ্ধ অসম্ভব’, বলছেন ভারতে খেলে যাওয়া ইউক্রেনীয় ফুটবলার]
সর্বশেষ খবর
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ
-
চালকের অশ্লীল স্পর্শ! চলন্ত অটো থেকে লাফিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন তরুণী
-
‘কেন এরকম করল?’ বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ, বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবসরের কথাও ভাবেন হতাশ সূর্য