Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

এক যাত্রায় পৃথক ফল, মৃত্যুতেও আর্থিক সাহায্যে ‘বৈষম্য’

চিন ও পাকিস্তান সীমান্তে কর্তব্যরত জওয়ানদের মৃত্যুতে আর্থিক সাহায্যে বিস্তর ব্যবধান!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০১৭, ০৫:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০১৭, ০৫:০৯

options
link
এক যাত্রায় পৃথক ফল, মৃত্যুতেও আর্থিক সাহায্যে ‘বৈষম্য’ zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘এক পদ এক বেতন’ বিতর্কের পর ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্দরে এক নয়া বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভারতের দুই যুযুধান প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে সদা সজাগ সেনাবাহিনীর সদস্যের মৃত্যুর পর ক্ষতিপূরণের অঙ্ক নিয়ে উঠছে বৈষম্যের অভিযোগ। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, পাকিস্তান সীমান্তে যে কোনও বিশৃঙ্খলায় বা জঙ্গি দমন অভিযানে কোনও সেনা শহিদ হলে তাঁর পরিবার মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ পায়। অথচ, ভারত-চিন সীমান্তে নজরদারির সময় কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যু হলেও মৃত জওয়ানের পরিবার যথেষ্ট ক্ষতিপূরণ পায় না।

[নোবেল পেতে পারেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন]

অভিযোগ, পাকিস্তান ও চিন- দুই সীমান্তে প্রহরারত সেনাকর্মীদের প্রতি কেন্দ্রের নজর এক নয়। সেনার অন্দরে এই অভিযোগ দীর্ঘদিন রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি ডোকলাম পরিস্থিতির জন্য দেশের উত্তর ও পূর্বে বিশেষভাবে নজর দিয়েছে কেন্দ্র। তৈরি রাখা হচ্ছে অতিরিক্ত সেনা, বেড়েছে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন। কিন্তু যে সেনাকর্মীরা নিজেদের প্রাণের বাজি রেখে ভারত-চিন সীমান্তে প্রহরায় রয়েছেন, তাঁদের দিকে যথেষ্ট নজর নেই কেন্দ্রের, অভিযোগ সেনাকর্মীদেরই একাংশের।

Advertisement

তাঁদের অভিযোগ, লাইন অফ কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণরেখায় কোনও সেনাকর্মীর কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যু হলে তাঁর পরিবার প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা অর্থসাহায্য পায়। কিন্তু লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে কারও মৃত্যু হলে তাঁর পরিবার প্রায় মাত্র ৩৫ লক্ষ টাকা। অথচ, প্রায় ৪০৫৭ কিলোমিটার বিস্তৃত ভারত-চিন সীমান্তে এখন টানটান উত্তেজনা। কিন্তু সেখানে প্রহরারত সেনা জওয়ানদের জীবনের নিরাপত্তা কতটুকু? সেনার একাংশের মতে, ৭৭৮ কিলোমিটার বিস্তৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা পাকিস্তানের সঙ্গে ১৯৮ কিলোমিটারের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পাহারা দেওয়ার চেয়েও অনেক বেশি কঠিন শীতল আবহাওয়ায়, অতিরিক্ত উচ্চতায় চিনের সঙ্গে পাল্লা দেওয়াটা। তার উপর রয়েছে তুষারধসের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ও। এই অবস্থায় কেন্দ্র দুই সীমান্তেরই সেনাকর্মীদের এক নজরে দেখুক, আরজি জওয়ানদের।

[পার্লারে যেতে পারবেন না মুসলিম মহিলারা, যোগীর রাজ্যে ফতোয়া জারি ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.