ভোটমুখী পাঁচ রাজ্যের কথা মাথায় রেখেও ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে সংস্কারমুখী বাজেট (Union Budget 2026) পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। করকাঠামো নিয়ে বিশেষ কোনও সুবিধার কথা শোনাতে পারেননি তিনি। এছাড়া চমকপ্রদ কোনও ঘোষণাও নেই। সামগ্রিকভাবে একপ্রকার সাদামাটা বাজেটই পেশ করলেন সীতারমণ। তবে তার মধ্যে পর্যটন ক্ষেত্রকে আরও চাঙ্গা করতে ছোটখাটো কয়েকটি ঘোষণা করা হল রবিবারের বাজেটে। আধ্যাত্মিক ও ঐতিহাসিক স্থানগুলিতে আরও পর্যটন টানতে নির্মলা সীতারমণ সংযুক্তিকরণের কথা বললেন। বারাণসী, অযোধ্যায় আধ্যাত্মিক পর্যটনের সাফল্য লাভের পর উত্তর-পূর্বের চার রাজ্যে বৌদ্ধ সার্কিট গড়ে তোলার ঘোষণা করা হল।
এই বিষয়ে আরও খবর
রবিবার ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিটের বাজেট ভাষণে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানালেন, ”বিভিন্ন ঐতিহাসিক পর্যটন স্থলকে সংযুক্তিকরণের পরিকল্পনা রয়েছে। আধ্যাত্মিক পর্যটন ছাড়াও উত্তর-পূর্ব ভারতের চার রাজ্যে – অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরা জুড়ে বৌদ্ধধর্মকে নজরে রেখে আলাদা সার্কিট গড়ে তোলা হবে।” নির্মলার কথায়, ”ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হসপিটালিটি এবং হোটেল ম্যানেজমেন্টগুলিতে আরও জোর দিতে হবে। পর্যটনের ক্ষেত্রে অতি জরুরি গাইডরা। তাঁদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। অন্তত ১০ হাজার পর্যটন গাইডকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।”
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানালেন, ”বিভিন্ন ঐতিহাসিক পর্যটন স্থলকে সংযুক্তিকরণের পরিকল্পনা রয়েছে। আধ্যাত্মিক পর্যটন ছাড়াও উত্তর-পূর্ব ভারতের চার রাজ্যে – অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরা জুড়ে বৌদ্ধধর্মকে নজরে রেখে আলাদা সার্কিট গড়ে তোলা হবে।”
উল্লেখ্য, গত কয়েকবছর ধরেই কেন্দ্রের নজরে দেশের পর্যটন শিল্প। বাজেটে এনিয়ে নতুন কী ঘোষণা হয়, তার জন্য যেমন অধীর অপেক্ষায় থাকেন পর্যটন ব্যবসায়ী, তেমনই এদিকে খেয়াল রাখেন ভ্রমণপিপাসুরাও। বছর দুই-তিন আগে থেকে দেশের ধর্মীয় স্থানগুলিকে একসুতোয় গেঁথে পর্যটন জোয়ার আনার কাজে হাত লাগিয়েছিল কেন্দ্র। অযোধ্যায় নবনির্মিত রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে গোটা উত্তরপ্রদেশের এই আধ্যাত্মিক জায়গাগুলির সংযুক্তিকরণ হয়েছিল। যার সাফল্যও মিলেছে। বারাণসী, অযোধ্যায় প্রচুর পর্যটক সমাগম হয়। তাতে ফুলেফেঁপে ওঠে যোগীরাজ্যের রাজকোষ। তাকে হাতিয়ার করে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে নতুন করে বেশ কয়েকটি বিষয় জোর দিলেন নির্মলা সীতারমণ।
নির্মলার কথায়, ”ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হসপিটালিটি এবং হোটেল ম্যানেজমেন্টগুলিতে আরও জোর দিতে হবে। পর্যটনের ক্ষেত্রে অতি জরুরি গাইডরা। তাঁদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। অন্তত ১০ হাজার পর্যটন গাইডকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন



