Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
LPG supply

দেশজুড়ে গ্যাসের ভয়ংকর সংকট! জরুরি পরিস্থিতিতে ‘এসমা’ জারি কেন্দ্রের, কারা আগে পাবেন সিলিন্ডার?

এই সংকটের পরিস্থিতিতে কোন কোন ক্ষেত্রে কী পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করা হবে, কোন কোন ক্ষেত্রকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৭:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৭:২৩

options
link
দেশজুড়ে গ্যাসের ভয়ংকর সংকট! জরুরি পরিস্থিতিতে ‘এসমা’ জারি কেন্দ্রের, কারা আগে পাবেন সিলিন্ডার? zoom
গ্যাসের সিলিন্ডার না পেয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের মুখে দেশ। তেল সরবরাহ নিয়ে এখনও সমস্যা না হলেও দেশজুড়ে রান্নার গ্যাস সরবরাহে ইতিমধ্যেই ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। আগামী দিনে সংকট আরও গুরুতর হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় অতি প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ আইন অর্থাৎ এসমা জারি করল কেন্দ্র। এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সরকার। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সাফ বলে দেওয়া হল, এবার থেকে গ্যাসের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

মোদি সরকার আগেই জানিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইচ্ছামতো গ্যাস বুকিং করা যাবে না। প্রথমে বলা হয়, ২১ দিন অন্তর অন্তর গ্যাস বুক করা যাবে। মঙ্গলবার সেই নিয়মও বদলে বলা হয়েছে, গ্যাস বুকিং করতে হবে অন্তত ২৫ দিনের ব্যবধানে। কেন্দ্রের দাবি, এলপিজি গ্যাসের বাড়তি মজুত এবং কালোবাজারি রুখতেই বুকিং-সময়সীমা ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। সব তেল কোম্পানিগুলিকে ঘরোয়া বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য এলপিজি বা রান্নার গ্যাসের উৎপাদন চাঙ্গা রাখতে বলা হয়েছে।

Advertisement

এই সংকটের পরিস্থিতিতে কোন কোন ক্ষেত্রে কী পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করা হবে, কোন কোন ক্ষেত্রকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে, বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেটাও জানিয়ে দিয়েছে মোদি সরকার।

১। যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও স্বাভাবিক থাকবে পিএনজি। যে গ্যাস সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ির রান্নাঘরে পৌঁছায়, সেই পরিষেবায় প্রভাব পড়বে না।
২। সিএনজি পরিষেবা বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে ১০০ শতাংশ বজায় রাখা হবে। যানবাহন, অটো এবং গণপরিবহনে গ্যাস সরবরাহ চলবে।
৩। গৃহস্থালির গ্যাস সরবরাহে কোনও সমস্যা হবে না। রান্নার গ্যাসে কোনও কাটছাঁট করা হবে না।
৪। শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত গ্যাসের বরাদ্দ কমানো হতে পারে। চা শিল্প ও উৎপাদন ক্ষেত্রে গত ৬ মাসে যে হারে গ্যাস ব্যবহৃত হয়েছে সেটার ৮০ শতাংশ সরবরাহ করা হবে।
৫। সার উৎপাদন সংস্থার ক্ষেত্রে বরাদ্দ করা হবে গত ছ’মাসের ৭০% গ্যাস।
৬। তেল শোধনাগার সরবরাহ করা হবে ৬৫% গ্যাস।
৭। রেস্তরাঁগুলির জন্য বরাদ্দ গ্যাসের সরবরাহ নির্ধারণ করার জন্য পৃথক কমিটি গড়া হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.