৬ ফাল্গুন  ১৪২৬  বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৭১তম সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ঘোষণা করা হল ১৪১ জনের নাম। আগামী মার্চে বা এপ্রিলে তাঁদের হাতে ২০২০ সালের পদ্ম সম্মান (Padma award) তুলে দেবেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। শনিবার সন্ধেয় এই সংক্রান্ত একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। যার মধ্যে বাংলার বিখ্যাত সংগীত শিল্পী পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী ও বিশিষ্ট চিকিৎসক অরুণোদয় মণ্ডলের নাম রয়েছে। এছাড়া ১৪১ জন পুরস্কার প্রাপকের মধ্যে নাম রয়েছে বিখ্যাত ভারতীয় বক্সার মেরি কমেরও। এর পাশাপাশি মরণোত্তর পদ্ম সম্মান দেওয়া হচ্ছে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রয়াত জর্জ ফার্নান্ডেজ, সুষমা স্বরাজ, অরুণ জেটলি ও মনোহর পারিকরকে।

শনিবার প্রকাশিত তালিকায় যাদের নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে তাঁদের মধ্যে আরও কয়েকজন হলেন, চণ্ডীগড়ের বাসিন্দা জগদীশ লাল আহুজা, কাশ্মীরের অনন্তনাগের বাসিন্দা জাভেদ আহমেদ তাক, উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদের বাসিন্দা মহম্মদ শরিফ ওরফে চাচা শরিফ এবং কর্ণাটকের বাসিন্দা তুলসী গৌড়া বা ‘এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফরেস্ট’।

[আরও পড়ুন: সাড়ে ৫ মাস গৃহবন্দি থাকার জেরে এ কী হাল ওমর আবদুল্লার! চমকে গেলেন মমতাও ]

 

চণ্ডীগড়ের বাসিন্দা জগদীশ লাল আহুজা এমনিতে পাঞ্জাব ও চণ্ডীগড়ের মানুষের কাছে লঙ্গর বাবা নামে পরিচিত। দেশভাগের পর ভারতে এসে নিজের ক্ষমতায় কোটিপতি হন তিনি। তারপর গত দুদশক ধরে চণ্ডীগড় হাসপাতালের বাইরে প্রচুর মানুষকে বিনেপয়সায় খাবার খাইয়ে আসছেন তিনি। তার মধ্যে ন্যূনতম ৫০০ গরিব রোগী যেমন থাকেন তেমনি থাকেন তাঁদের আত্মীয়রা। নিঃস্বার্থে করা এই সেবা আজ তাঁকে দেশের অন্যতম বড় সম্মান পেতে সাহায্য করেছে। অন্যদিকে ১৯৯৭ সালে জঙ্গি হামলার জেরে মারাত্মক জখম হয়েছিলেন অনন্তনাগের বিজবেহারা এলাকার বাসিন্দা জাভেদ আহমেদ তাক। কিন্তু, তাতে তাঁর মনোবলে একফোঁটাও চিড় ধরেনি। বরং তারপর থেকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মূলধারার জীবনে আনার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: দিল্লিতে হুড়মুড়িয়ে ভাঙল নির্মীয়মাণ কোচিং সেন্টার, মৃত ৪ পড়ুয়া-সহ পাঁচ ]

 

পদ্মশ্রী পুরস্কারের তালিকায় থাকা আরও একজন হলেন উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদের বাসিন্দা মহম্মদ শরিফ ওরফে চাচা শরিফ। গত ২৫ বছর ধরে বেওয়ারিশ মৃতদেহ পুড়িয়ে নতুন এক ইতিহাস তৈরি করেছেন তিনি। আর এই কাজ করতে গিয়ে মানেননি কোনও জাতপাতের বেড়া। হিন্দু বা মুসলিম থেকে শিখ কিংবা জৈন। সবার শেষকৃত্যে সমানভাবে সক্রিয় থাকতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং