Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
yogi adithyanath

যোগীর বিরুদ্ধে দাঙ্গায় ইন্ধনের অভিযোগের ‘সাজা’, ধর্ষণের দায়ে হাজতে সমাজকর্মী

উত্তরপ্রদেশের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০২০, ১৯:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০২০, ১৯:০১

options
link
যোগীর বিরুদ্ধে দাঙ্গায় ইন্ধনের অভিযোগের ‘সাজা’, ধর্ষণের দায়ে হাজতে সমাজকর্মী zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিংসায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) বিরুদ্ধে। এবার সেই সমাজকর্মীর বিরুদ্ধেই গণধর্ষণের (Rape) অভিযোগ। আর সেই অভিযোগে প্রমাণ হতেই শ্রীঘরে ঠাঁই হল সমাজকর্মী তথা সাংবাদিক পারওয়েজ পারভেজের।  ২০১৮ সালের এক গণধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে গোরখপুরের দায়রা আদালত তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে।

২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা করেন পারভেজ। তখন যোগী ছিলেন গোরখপুরের সাংসদ। অভিযোগ ছিল,  যোগীর সঙ্গে বিধান পরিষদের তৎকালীন সদস্য ওয়াই ডি সিং, গোরখপুরের তৎকালীন মেয়র অঞ্জু চৌধুরি এবং বিজেপি নেতা শিবপ্রতাপ শুক্লা ২০০৭ সালে গোরখপুরে দাঙ্গা লাগিয়েছিলেন। তখনই অবশ্য পালটা বিজেপি নেতা ওয়াই ডি সিং আদালতে জানান, যোগীকে ফাঁসাতে পারভেজ বিকৃত ভিডিও দেখাচ্ছেন। ২০১৮ সালে হাই কোর্ট জানিয়ে দেয় যোগীর বিরুদ্ধে তদন্ত করার দরকার নেই। পারভেজ এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যান।  এদিকে ২০১৮ সালে ৪০ বছর বয়সী এক মহিলা পুলিশে অভিযোগ করেন, পারভেজ ও তার এক সঙ্গী মিলে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করেছে। মহিলা থানায় জানিয়েছিলেন, পারিবারিক সমস্যা মেটাতে  তিনি মেহমুদ ওরফে জুম্মন বাবা নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেই সময় জুম্মন বাবা ও তাঁর এক বন্ধু তাঁকে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। সেই বন্ধুকে জুম্মন বাবা ‘পারভেজ ভাই’ বলে সম্বোধন করছিলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ভারতীয় নাগরিকত্বের ভুয়ো নথি-সহ হায়দরাবাদে ধৃত রোহিঙ্গা শরণার্থী]

আদালতে যাওয়ার পর থেকেই তাঁকে হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে সরব হয়েছিলেন পারভেজ। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানো হচ্ছে।  পারভেজের আইনজীবী সৈয়দ ফারমান নকভির দাবি, গণধর্ষণের মামলায় মূল অভিযুক্ত ছাড়া পেয়ে গেলেও তাঁর মক্কেলকে ছাড়া হয়নি। তার আরও অভিযোগ, অভিযোগে পারভেজ বলে একজনের নাম ছিল। পুলিশ ভুল করে তাঁর মক্কেলকে ধরেছে। পারভেজের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়ার পরে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েথে গোরখপুরে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.