Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
জমি

উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী আজম খান জমি মাফিয়া, ঘোষণা যোগী প্রশাসনের

'বিজেপির বিরুদ্ধে জিতেছি বলে ষড়যন্ত্র হচ্ছে', অভিযোগ আজম খানের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৯, ১৭:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৯, ১৭:১৪

options
link
উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী আজম খান জমি মাফিয়া, ঘোষণা যোগী প্রশাসনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ও উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী আজম খানকে জমি মাফিয়া বলে ঘোষণা করল যোগী সরকার। মুলায়ম সিং যাদব ঘনিষ্ঠ এই নেতার নামে অবৈধভাবে জমি দখলের ১৩টি এফআইআর দায়ের হয়েছিল। তার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার স্থানীয় সাংসদের নাম ‘জমি মাফিয়া বিরোধী’ পোর্টালে তুলে দিল রামপুর জেলা প্রশাসন। এই পোর্টালে তাঁর সহযোগী হিসেবে নাম উঠেছে রামপুরের প্রাক্তন সার্কেল ইন্সপেক্টর আলি হাসান খানেরও। যদিও এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলেই অভিযোগ করেছেন রামপুরের সাংসদ আজম খান।

[আরও পড়ুন- গরু চোর সন্দেহে ফের গণপিটুনি, বিহারে প্রাণ গেল ৩ যুবকের]

রামপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি আজম খান ও আলি হাসান খানের নামে জমি দখলের অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেন ২৬ জন কৃষক। তাঁদের অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টির শাসনকালে রামপুরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হয়েছিল। এর জন্য কৃষকদের থেকে জোর করে জমি নিয়েছিলেন আজম খান ও আলি হাসান। এরপরই বিষয়টি খতিয়ে দেখে ওই দুজনকে জমি মাফিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হল। এবার আইন মোতাবেক তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

এপ্রসঙ্গে রামপুরের জেলাশাসক জানান, মহম্মদ আলি জওহর বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির সময় জোর করে জমি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আজম খানের বিরুদ্ধে। এই কাজে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন আলি হাসান খান। এই বিষয়ে ২৬ জন কৃষক তাঁদের বিরুদ্ধে ১৩টি এফআইআর করেছেন। তার ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের নাম জমি মাফিয়ার তালিকায় ঢোকানো হয়েছে।

[আরও পড়ুন- স্কুলের মধ্যেই সদস্যতা অভিযান! পড়ুয়াদের গলায় দলীয় উত্তরীয় পরালেন বিজেপি বিধায়ক]

যদিও এটা তাঁকে এবং তাঁর তৈরি বিশ্ববিদ্যালয়কে বদনাম করার চক্রান্ত বলে অভিযোগ করেছেন আজম খান। আর তা জেলাশাসকের মদতেই হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। বলেন, “এফআইআরগুলি দায়ের হওয়ার পরে কোনও তদন্ত হয়নি। কিন্তু, আমার নাম ওই পোর্টালে তুলে দেওয়া হয়েছে। এমনকী কিছু কিছু এফআইআর পোর্টালে নাম তোলার ঘণ্টাখানেক আগেই দায়ের করা হয়। রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যই এভাবে আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে। আসলে আমি বড়লোক বলে মিথ্যে মামলা করে টাকা আদায় ও আমাকে বদনামের চেষ্টা চলছে। তবে দেশের বিচার বিভাগের উপর আমার সম্পূর্ণ আস্থা আছে। আদালত যখন চাইবে তখনই জমি বিক্রি সংক্রান্ত সমস্ত কাগজ জমা করব। লোকসভায় বিজেপির বিরুদ্ধে জেতার পর থেকেই আমাকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। আমার চারিদিকে শত্রু ঘুরছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.