১৩ মাঘ  ১৪২৮  বৃহস্পতিবার ২৭ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

নাশকতা নয়, রেলের গাফিলতিতেই লাইনচ্যুত কলিঙ্গ-উৎকল এক্সপ্রেস?

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 20, 2017 3:48 am|    Updated: August 20, 2017 3:53 am

Utkal train accident: 'Unofficial' track maintenance could be reason

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাথমিকভাবে নাশকতার আশঙ্কাই করেছিলেন রেল ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তারা। ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন সন্ত্রাসদমন শাখার আধিকারিকরাও। কিন্তু নাশকতা নয়, রেলের গাফিলতিতেই উত্তরপ্রদেশের মুজফফনগরের কাছে লাইনচ্যুত হয় পুরী-হরিদ্বার কলিঙ্গ  উৎকল এক্সপ্রেসের ১০টি কামরা।  তেমন খবরই মিলেছে রেল সূত্রে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মুজফফনগরের খতৌলির কাছে রেল লাইন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছিল। কিন্তু, সেকথা জানতেন না পুরী-হরিদ্বার কলিঙ্গ  উৎকল এক্সপ্রেসের চালক। তার জেরে লাইনচ্যুত হয়ে যায় ট্রেনের ১০টি কামরা।

[উৎকল এক্সপ্রেসের ১০টি বগি লাইনচ্যুত, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা]

শনিবার বিকেল ৫.৪০ মিনিট নাগাদ উত্তরপ্রদেশের মুজফফনগরের খতৌলির কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পুরী-হরিদ্বার কলিঙ্গ উৎকল  এক্সপ্রেস। লাইনচ্যুত হয়ে যায় ট্রেনের ১০টি বগি। ট্রেনটি ওড়িশার পুরী থেকে উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারের দিকে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনায় রবিবার সকাল পর্যন্ত ২৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন অনেকেই। মৃতের পরিবার পিছু সাড়ে তিন লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণের দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু। ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রেল মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, যেথানে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, উত্তরপ্রদেশের সেই মুজাফফনগরে খতৌলির কাছে রেললাইন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছিল। সেক্ষেত্রে লাল পতাকা বা সিগন্যালের মাধ্যমে ট্রেন চালকদের সতর্ক করে দেওয়ার কথা। কিন্তু, কোনও কারণবশত খতৌলিতে তা করা হয়নি। তাই রেললাইন যে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে, তা বুঝতে পারেননি পুরী-হরিদ্বার কলিঙ্গ উৎকল  এক্সপ্রেসের চালক। তাতেই ঘটে যায় বিপত্তি। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রেল লাইনে রক্ষণাবেক্ষণে কাজ চলার সময়ে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিমি বেগে ট্রেন চলার কথা। কিন্তু, দুর্ঘটনার সময়ে কলিঙ্গ উৎকল এক্সপ্রেসের গতি ছিল ঘণ্টায় ১০৬ কিমি। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ট্রেনের ইঞ্জিন ও পাঁচটি বগি পেরিয়ে যাওয়ার পর দুর্ঘটনা ঘটে। যদি নাশকতার ঘটনা ঘটত বা ইচ্ছাকৃতভাবে রেললাইনের কোনও ক্ষতি করা হত, তাহলে প্রবল গতিতে আসা একটি ট্রেনের ইঞ্জিন-সহ সবকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যেত।

[গোরক্ষপুরের পর দিল্লি, অক্সিজেনের অভাবে হাসপাতালে মৃত্যু সদ্যোজাতর]

তবে, দুর্ঘটনার ঘণ্টা খানেক আগে ওই রেললাইন দিয়ে দিল্লি-সাহারানপুর রুটের একটি ট্রেনও গিয়েছিল। কিন্তু, কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি।

[অ্যাম্বুল্যান্সের অভাবে মায়ের কোলেই মৃত্যু হল তিন বছরের শিশুর]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে