BREAKING NEWS

১৪ কার্তিক  ১৪২৭  রবিবার ১ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

যোগীর রাজ্যে ফের দলিত নাবালিকার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, ধর্ষণের অভিযোগ পরিবারের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: October 4, 2020 8:56 am|    Updated: October 4, 2020 8:56 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ হাথরাসের (Hathras Gang Rape) ক্ষতে এখনও প্রলেপ পড়েনি। বলরামপুরের নির্যাতিতার পরিবার এখনও বিচার পায়নি। এরই মধ্যে কানপুর দেহাত (Kanpur) এলাকায় ফের দলিত নাবালিকার সঙ্গে নৃশংসতা। ধর্ষণ করে খুন! এবং শেষে দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ। ফের প্রশ্নে উত্তরপ্রদেশের নারী নিরাপত্তা। 

স্থানীয় সূত্রের খবর, গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে উত্তরপ্রদেশের কানপুর দেহাত জেলার ওই নাবালিকা নিখোঁজ ছিল। পরিবারের দাবি, তাঁরা পুলিশে খবরও দিয়েছিলেন। কিন্তু গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তাঁরা নাবালিকার সন্ধান করতে পারেনি। শনিবার একটা ফাঁকা মাঠে টুকরো টুকরো অবস্থায় ওই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। দেহাংশগুলি সংগ্রহ করে অটোপসির জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, খুন করার আগে তাঁদের মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারাও দলিত সম্প্রদায়ের। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। মৃতার পরিবার জানিয়েছে, পরিবারেরই কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে জমি নিয়ে বিবাদ চলছিল তাঁদের। বিবাদের জেরে ওই নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণ এবং খুন করার হুমকিও দিয়েছিল অভিযুক্তরা। তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিল ওই নাবালিকা। প্রশ্ন হল, নিখোঁজ হওয়ার এক সপ্তাহ পরও নাবালিকার কোনও খোঁজ পুলিশ কেন দিতে পারল না? যদিও, ওই নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর দ্রুততার সঙ্গেই পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। গোটা এলাকা পুলিশ ঘিরে ফেলেছে। জোরকদমে চলছে 

[আরও পড়ুন: চাপে পড়ে হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ যোগীর]

উল্লেখ্য,  গত‌ বুধবারই কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi) অভিযোগ করছিলেন, উত্তরপ্রদেশে নারী নিরাপত্তার চিহ্নমাত্র নেই। কংগ্রেস নেত্রী যে নেহাতই ভ্রান্ত অভিযোগ করেননি, তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল। এমনিতেই উত্তরপ্রদেশ মহিলাদের বিরুদ্ধে হওয়া অপরাধের নিরিখে দেশের মধ্যে শীর্ষে। এর মধ্যে মাত্র কয়েকদিনের  ব্যবধানে এতগুলি ধর্ষণের ঘটনা! আরও উদ্বেগের বিষয় হল, হাথরাস, বলয়ামপুর এবং এবার কানপুরের মতো এলাকায় দলিতরাই বেশি অত্যাচারিত হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, এরপরও কি ঘুম ভাঙবে না প্রশাসনের? 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement