Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

‘তোদের মাকে মরতেই হবে…’, ডিজিটাল অ্যারেস্টের ভয়ে ছোট্ট সন্তানদের রেখে আত্মঘাতী গৃহবধূ!

এমনকী, উত্তরপ্রদেশের ওই মহিলার মৃত্যুর পর তাঁর স্বামীকেও ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ২০:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ২০:৪২

options
link
‘তোদের মাকে মরতেই হবে…’, ডিজিটাল অ্যারেস্টের ভয়ে ছোট্ট সন্তানদের রেখে আত্মঘাতী গৃহবধূ! zoom
২৮ বছর বয়সি গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য।

৮ বছরের জিয়া ও ১১ বছরের নন্দিনী ঘুমিয়ে কাদা বিছানায়। ঘুম থেকে উঠে তারা সভয়ে আবিষ্কার করে ঘরের মধ্যে মায়ের ঝুলন্ত দেহ। উত্তরপ্রদেশের বিজনৌরে ২৮ বছর বয়সি এক গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য। মনে করা হচ্ছে, আত্মহত্যাই করেছেন তিনি। পরে ধীরে ধীরে সামনে এসেছে ডিজিটাল অ্যারেস্টের বিষয়টি।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, প্রথম থেকেই পরিবারের সন্দেহ ছিল, কিছু একটা গোলমাল রয়েছে। কিন্তু কী কারণে তিনি এমন চরম পথ বেছে নিলেন, তা বোঝা যাচ্ছিল না। পরে আবিষ্কৃত হয় একটি সুইসাইড নোট। ছোটমেয়ে জিয়াকে উদ্দেশ করে মনিকা নাম্নী ওই গৃহবধূ লিখেছেন, ‘সরি জিয়া, তোদের মাকে মরতেই হবে। তোদের অনেক কিছু বলতে চাই। একজন আছে যে আমাকে ব্ল্যাকমেল করেই চলেছে। দীর্ঘদিন ধরেই আমাকে চাপ দিয়ে চলেছে। আর তাই আমাকে চরম পদক্ষেপ করতেই হবে। আমাকে পারলে ক্ষমা করিস।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পরে তাঁর ফোন খতিয়ে দেখে বোঝা যায় হোয়াটসঅ্যাপে কল, মেসেজ ও অডিও রেকর্ড পাঠাত দুষ্কৃতী। দেখা গিয়েছে, পাঁচটি ভিন্ন নম্বর থেকেই মেসেজ করা হয়েছে। অডিও রেকর্ড শুনে বোঝা যাচ্ছে, ফোনের ওপারের ব্যক্তি নিজেকে ক্রাইম ব্রাঞ্চের লোক বলে পরিচয় দিয়েছিল। এমনকী, মনিকার বিরুদ্ধে নারীপাচারের মতো অভিযোগও তাকে করতে দেখা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই চাপ সহ্য করতে না পেরেই নিজেকে শেষ করে দিয়েছেন মনিকা।

এখানেই শেষ নয়, মনিকার মৃত্যুর পরেও ওই ব্যক্তির ফোন এসেছে। ফোন দেওয়া সম্ভব নয় বলার পরও ওপাশ থেকে শাসানি দেওয়া হতে থাকে। প্রয়োজনে মনিকার স্বামীকেও ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হতে থাকে। এরপর ওই পরিবার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে। তদন্তকারীরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.