Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

উত্তরপ্রদেশে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় মৃত ২২

রবিবার গভীর রাতে উল্টোদিক থেকে আসা ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বাসটির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০১৭, ০৪:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০১৭, ০৪:১০

options
link
উত্তরপ্রদেশে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় মৃত ২২ zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার গভীর রাতে উত্তরপ্রদেশে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ল যাত্রীবোঝাই একটি বাস। বারেলিতে ২৪ নম্বর জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের পরই আগুন ধরে যায় যাত্রীবোঝাই বাসটিতে। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আর তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বাসে মোট কতজন যাত্রী ছিলেন সেটা এখনও জানা যায়নি।

[গ্যালারিতে বসে ভারত-পাক ম্যাচ দেখলেন ‘পলাতক’ বিজয় মালিয়া]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের বাসটি গোণ্ডা থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। বারেলি এবং শাহজাহানপুরের মাঝখানে জাতীয় সড়ক সারাইয়ের কাজ চলছিল। ওই জায়গাতেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় উল্টোদিক থেকে আসা ট্রাকটির। খবর, ওই সময় বেশ জোরেই বাসটি চালাচ্ছিলেন চালক। এক প্রত্যক্ষদর্শীর মতে, সংঘর্ষের পরেই বাসটিতে আগুন ধরে যায়। ওই সময় বাসের অধিকাংশ যাত্রীই ঘুমোচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর আহত যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন বাসটির জানলা এবং দরজা দিয়ে পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হন। বাসটির মেঝেতেও বেশ কয়েকজন যাত্রী বসেছিলেন। হুড়োহুড়ির সময় অনেকেই বাইরে বেরিয়ে আসতে পারেননি। আগুনের পুড়ে তাঁদের কয়েকজনের মৃত্যু হয়।

Advertisement

 

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী ও উদ্ধারকারী দল। এরপরেই মৃত এবং আহতদের উদ্ধারকার্য শুরু হয়। এই প্রসঙ্গে বারেলির পুলিশ সুপার যোগিন্দর কুমার বলেন, ‘উদ্ধারকাজ চলছে। আমরা দশজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছি। অন্তত ২০ জন নিজেদের বাঁচাতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’ তবে অভিযোগ উঠেছে, খবর পেলেও ঘটনাস্থলে পৌঁছতে প্রায় ৯০ মিনিট দেরি করে দমকল। আর এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘সংঘর্ষের পরেই বাস ও ট্রাকটিতে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়েই যত দ্রুত সম্ভব ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলকর্মীরা। কিন্তু আঁচ এত বেশি ছিল যে আগুন নেভাতে অনেক সময় লেগে যায়। তারপরেই বাসের ভিতরে ঢুকে উদ্ধারকার্য শুরু করা সম্ভব হয়।’

[পাঞ্জাবে আইএসআই মদতপুষ্ট জঙ্গি নেটওয়ার্ক ফাঁস, গ্রেপ্তার ৩ জঙ্গি]

ইতিমধ্যে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে? বাসে কতজন যাত্রী ছিলেন? দুর্ঘটনার দায় কার? সেগুলিই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.