Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

দিল্লিতে কলকাতা পুলিশের জালে বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার কর্ণধার

৩ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে আনা হচ্ছে কলকাতায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৬:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৬:৩২

options
link
দিল্লিতে কলকাতা পুলিশের জালে বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার কর্ণধার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুলিশের জালে এবার এক বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার কর্ণধার। ভিবজিওর সংস্থার প্রধান রাজ ভদ্রকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে পাকড়াও করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের স্পেশ্যাল সেল। তার নামে লুক আউট নোটিস জারি ছিল। তদন্তকারীদের দাবি, বেআইনিভাবে ৫০০ কোটি টাকা বাজার তুলেছিল রাজ ভদ্রের সংস্থা।

[নারদ কাণ্ডে ইডির পর সিবিআইয়ের তলব শোভন চট্টোপাধ্যায়কে]

Advertisement

সারদা কাণ্ডের সময় ভিবজিওর জালিয়াতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছিল। রাজ্যের নানা প্রান্তে ওই সংস্থার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ জমা পড়েছিল। এই নিয়ে সংস্থার মালিক রাজা ভদ্রকে একাধিকবার তলব করেছিল কলকাতা পুলিশ। পর্দা ফাঁস হওয়ার পর রাজা বিদেশে পালিয়ে যায়। সূত্রের খবর, রাজা জানতে পারে এই নিয়ে তদন্তের গতি কমেছে। এজন্য সে দেশে ফিরতে চায়। আগেভাগে খবর নিয়ে তৈরি ছিল কলকাতা পুলিশ। সোমবার রাতে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে তাকে জালে তোলে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের বিশেষ দল। অভিযুক্তর বিরুদ্ধে দেশের বিমানবন্দরগুলিতে আগেই লুক আউট নোটিস জারি হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, ভাল রিটার্নের কথা বলে বাজার থেকে অবৈধভাবে প্রায় ৫০০ কোটি তুলেছিল ভিবজিওর। আবাসন এবং চলচ্চিত্র শিল্পে তারা বিনিয়োগ করেছিল। সেই সমস্ত ছবি দেখিয়ে গ্রাহকদের থেকে কয়েক বছর টাকা তুলছিল ওই বেআইনি সংস্থা। তিন দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে মঙ্গলবার তাঁকে কলকাতায় আনা হচ্ছে। ওই কোম্পানির কোথায় কোথায় সম্পত্তি আছে তা ধৃতকে জেরা করতে জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি ভিবজিওরের আরও কী কী বেনামী সম্পত্তি রয়েছে তার খোঁজ চলছে।

[চিকিৎসার আড়ালেই নার্সের নৃশংস হত্যালীলা, একে একে ৯০ জন খুন!]

২০১৫ সালের মার্চ মাসে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল রাজা ভদ্রের স্ত্রী নার্গিসকে। দুবাই যাওয়ার সময় কলকাতা বিমানবন্দর থেকে তাকে পুলিশ ধরেছিল। প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসার পর সংস্থার মূল অফিস বন্ধ করে কয়েকটি শাখা খুলে কাজ চলছিল। নার্গিস ভদ্র গ্রেপ্তার হওয়ার পর সেইসমস্ত শাখাতেও ঝাঁপ পড়ে যায়। আমানত খুইয়ে প্রতারিত হয়েছে সংস্থার কয়েকশো এজেন্ট এবং আমানতকারী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.