Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

আস্থা ভোটে জয় পালানির, বিধানসভায় বেনজির নিগ্রহের শিকার অধ্যক্ষ

শেষপর্যন্ত মার্শালদের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে হাউজ ছাড়েন অধ্যক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৭, ১০:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৭, ১০:২৬

options
link
আস্থা ভোটে জয় পালানির, বিধানসভায় বেনজির নিগ্রহের শিকার অধ্যক্ষ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নজিরবিহীন বিক্ষোভের মধ্যে তামিলনাড়ু বিধানসভায় আস্থা ভোটে জয়ী হলেন ই কে পালানিস্বামী। দ্রাবিড়ভূমের মসনদে বসতে আর কোনও বাধা রইল না তাঁর। বিদ্রোহী পন্নিরসেলভমকে পরাজিত করে মুখ্যমন্ত্রিত্ব অটুুট রাখলেন শশীকলা ঘনিষ্ঠ এই এআইএডিএমকে নেতা। পালানিস্বামীর পক্ষে ১২২ জন বিধায়ক ভোট দিয়েছেন। ২৩৪ আসন বিশিষ্ট তামিল বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করায় পালানির কাছে পরাজয় হল পন্নিরের। তাঁর জারিজুরি শেষ হল। যদিও আস্থা ভোটের আগে বেনজির বিশৃঙ্খলার সাক্ষী থাকল তামিলনাড়ুর বিধানসভা। শনিবার পালানিস্বামী সরকারের আস্থা ভোটের আগেই বিরোধী দল ডিএমকে বিধায়কদের বেনজির গন্ডগোলে তছনছ হল বিধানসভার আসবাবপত্র। এমনকী, অধ্যক্ষ পি ধনপালকেও রেয়াত করেননি বিরোধী বিধায়করা। গন্ডগোলের মধ্যে বেলা একটা পর্যন্ত মুলতবি হয়ে যায় অধিবেশন। তারপর ফের অধিবেশন বসলে শুরু হয় ভোটাভুটি। গন্ডগোলের জেরে বিরোধী দল ডিএমকে-সহ ৮৯ জন বিধায়ককে কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয় ভোটাভুটির আগে। বিধানসভার ভিতরের ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, স্পিকারকে শারীরিক হেনস্তা করছেন বিধায়করা। তাঁর জামা পর্যন্ত ছিঁড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শেষপর্যন্ত মার্শালদের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে হাউজ ছাড়েন অধ্যক্ষ। মুলতবি করে দেওয়া হয় অধিবেশন। জনপ্রতিনিধিদের এমন আচরণে স্বাভাবিকভাবেই গণতন্ত্রের উপর বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার শাসকদল এআইএডিএমকের নয়া পরিষদীয় নেতা ই কে পালানিস্বামী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। রাজ্যপাল বিদ্যাসাগর রাও তাঁকে ১৫ দিনের মধ্যে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের সময় দেন। সেই মতো শনিবার ছিল নয়া সরকারের আস্থা অর্জনের লড়াই। বিধানসভায় ভোটাভুটি শুরু হতেই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। অভিযোগের তির প্রধান বিরোধী দল ডিএমকে বিধায়কদের উপর। তার মধ্যে কংগ্রেস পন্নিরসেলভম শিবিরকে সমর্থন করায় চাপে পড়ে যায় পালানিস্বামীর শিবির। এরপরই ঝামেলা শুরু হয়ে যায় হাউজের ভিতরে। ধনপাল জানিয়েছেন, তাঁর জামা ছিঁড়ে নিগ্রহ করা হয়। বিধানসভার ভিতরে এইভাবে অপমানিত হতে হবে তা তিনি ভাবতে পারেননি। স্পিকারের অভিযোগের পরই ডিএমকে বিধায়কদের হাউজ থেকে বের করে দেওয়া হয়। আস্থা ভোটের প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। হুলস্থুল কাণ্ডের পর বিরোধী বিধায়করা দাবি করেন, গোপনে ভোট প্রক্রিয়া করার।

C47rinTWcAE_JLH

এদিন আস্থা ভোটের আগে পালানিস্বামীর পক্ষে ১২২ জন বিধায়ক ছিলেন। বেশ কয়েকজন বিধায়ক পন্নির শিবিরকে সমর্থন জানিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.