Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬

জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে রণক্ষেত্র জয়পুর, জারি কারফিউ

মৃত্যু হয়েছে এক পুলিশকর্মীর, আহত কমপক্ষে ২০।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৭, ০৯:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৭, ০৯:৪৬

options
link
জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে রণক্ষেত্র জয়পুর, জারি কারফিউ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বলা যায় একটি সামান্য ঘটনা। কিন্তু তা থেকেই কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল রাজস্থানের জয়পুর। শুক্রবার রাতভর শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে একজন পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়। আহত হয়েছে কমপক্ষে ২০ জন। বেশ কয়েকটি জায়গায় পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে ইটও ছোড়ে বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়্ন্ত্রণে আনতে রাতেই জয়পুরের চারটি থানা এলাকায় জারি হয়েছে কারফিউ। রামগঞ্জ, গালটাগেট, মানাক চক ও সুভাষ চক থানা এলাকায় বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবাও।

[শ্রীনগরে গ্রেপ্তার ইয়াসিন মালিক, বড় ধাক্কা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কাছে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুক্রবার সন্ধ্যায় রামগঞ্জ থানায় এলাকায় এক বাইক আরোহীকে পুলিশের মারধর করা কেন্দ্র করে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন,  রামগঞ্জের রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে রুটিন তল্লাশি করছিল পুলিশ। সেইসময় একটি বাইককে থামতে বলেন কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিক। কিন্তু, গতি বাড়িয়ে পালানো চেষ্টা করেন বাইক আরোহী। অভিযোগ, ওই বাইক আরোহীর উপর লাঠিচার্জ করেন ওই পুলিশকর্মী। আর এতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় থানার সামনে জড়ো হয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কয়েকশো মানুষ। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু, তাতে কোনও কাজ হয়নি। উলটে পুলিশকে লক্ষ্য ইট ছুড়তে শুরু করে বিক্ষোভকারীরা। পুড়িয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি গাড়ি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের সেলও।

[‘বাবা’র ডেরায় কমান্ডোদের ম্যারাথন তল্লাশি, উদ্ধার কয়েকশো সাধ্বীর কঙ্কাল]

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রমে শহরের অন্যন্য জায়গায়ও অশান্তি  ছড়িয়ে পড়ে। রামগঞ্জ, গালটাগেট, মানাক চক ও সুভাষ চক থানা এলাকায় রাতভর দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে চলে ইটবৃষ্টি। সংঘর্ষে মারা যান এক পুলিশ কর্মী। আহত হয়েছেন কমপগক্ষে ২০ জন। লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমসিম খায় পুলিশ। এরপর রাতেই জয়পুরের রামগঞ্জ, গালটাগেট, মানাক চক ও সুভাষ চক থানা এলাকায় কারফিউ জারি করার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবাও। জয়পুরের পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় আগরওয়াল জানিয়েছেন, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত কারফিউ জারি থাকবে।

 

দেখুন ভিডিও:

 

[গোমাংস ভক্ষণ করে হেনস্তার শিকার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.