Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬

গরুকে সম্মান জানালে কেউ হিংসাকে প্রশ্রয় দেয় না, জানালেন ভাগবত

সহনশীলতার বার্তা সরসংঘচালকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭, ০৮:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭, ০৮:৪৩

options
link
গরুকে সম্মান জানালে কেউ হিংসাকে প্রশ্রয় দেয় না, জানালেন ভাগবত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গো-রক্ষাকে কেন্দ্র করে হিংসাকে নিয়ে সারা দেশ সরগরম। মুখ খুলতে হয়েছিল খোদ প্রধানমন্ত্রীকে। এবার এ নিয়ে সহনশীলতার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতও। জানালেন, গরুকে যাঁরা সম্মান করেন, শ্রদ্ধা করেন তাঁরা কখনও হিংসাকে প্রশ্রয় দিতে পারেন না। এমনকী কারও কাজে তাঁরা গভীরভাবে আহত হলেও নয়।

[ জঙ্গিদের হাওয়ালা মারফত টাকা জোগাচ্ছে রোহিঙ্গারা, উদ্বিগ্ন কেন্দ্র ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সাম্প্রতিক অতীতে গরুকে রক্ষা করার নামে স্বঘোষিত রক্ষকদের দাপটে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। গণপিটুনির ঘটনা তো আকছার ঘটছে। ক্রমশ এ প্রবণতা মহামারীর আকার ধারণ করেছে দেখে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সাফ জানিয়েছিলেন, গো-রক্ষার নামে কোনওরকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। তা সত্ত্বেও যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি তা নয়। সম্প্রতি গো-রক্ষকদের হাতে নিহত পেহলু খান খুনে ছাড় দেওয়া হয়েছে ছয় হিন্দুকেই, তা নিয়েও নানা চাপানউতোর। পেহলু খানের পরিবারের অভিযোগ, উপরমহলের চাপেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হযেছে। ঠিক এই সময়েই সহনশীলতার বার্তা মোহন ভাগবতের গলাতেও। রাজস্থানে ছ দিনের সফর চলাকালীন এক জনসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, যাঁরা গো-মাতাকে শ্রদ্ধা করেন তাঁরা গো-পালনে নিজেদের নিয়োজিত করেন। গরু পালন করা অর্থনৈতিকভাবে আমাদের পক্ষে লাভজনক। সেইসঙ্গে তাঁর সংযোজন, যাঁরা গো-পালন করেন বা গোমাতাকে ভক্তি করেন তাঁরা কিন্তু কোনওভাবেই হিংসায় ইন্ধন দেন না। যদি তাঁদের ভাবাবেগ গভীরভাবে আহত হয় তাহলেও নয়। সাম্প্রতিক হিংসার পরিপ্রেক্ষিতে এভাবেই গো-পালকদের সহনশীলতার পাঠ শেখালেন ভাগবত।

[ জানেন, লালসা চরিতার্থ করতে কীভাবে মহিলাদের ফাঁদে ফেলত রাম রহিম?  ]

পাশাপাশি স্বদেশি জিনিসের ব্যবহার নিয়েও তিনি সাধারণ মানুষকে উসাহিত করেন। চিনা দ্রব্য ব্যবহার নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে জানান, স্বদেশি জিনিস যত ব্যবহার করা হবে, তত সাধারণ মানুষের কাজের সুযোগ বাড়বে। তাই সবসময় এতে উৎসাহ দেওয়া উচিত। তাছাড়া স্বদেশি জিনিস ব্যবহারে নিজেদের মনও এক ধরনের গর্বে ভরে ওঠে বলেই জানান তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.