Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Tripura

ব্রু শরণার্থীদের পুনর্বাসন নিয়ে উত্তপ্ত ত্রিপুরা, পুলিশের গুলিতে মৃত ১

৩৫ হাজার ব্রু উপজাতির শরণার্থীকে ত্রিপুরায় আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২০, ১৮:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২০, ১৮:১৭

options
link
ব্রু শরণার্থীদের পুনর্বাসন নিয়ে উত্তপ্ত ত্রিপুরা, পুলিশের গুলিতে মৃত ১ zoom

প্রণব সরকার, আগরতলা: ব্রু শরণার্থীদের পুনর্বাসন দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ত্রিপুরা (Tripura)। শনিবার মিজোরামে গোষ্ঠী সংঘর্ষের শিকার উপজাতিটিকে উত্তর ত্রিপুরায় আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধীরে পথে নামেন স্থানীয়রা। তারপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। পরিস্থিতি সামাল দিতে গুলি চালায় পুলিশ। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। আহত আরও পাঁচ।

[আরও পড়ুন: ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগে যুবককে জেলে পাঠিয়ে বিপাকে যুবতী, দিতে হবে ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ]

সম্প্রতি মিজোরাম থেকে বিতাড়িত ৩৫ হাজার ব্রু উপজাতির শরণার্থীকে ত্রিপুরায় আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত ১৬ নভেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ চলছে ত্রিপুরায়। পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন রাজধানী আগরতলা থেকে ঘণ্টা চারেক দূরের পানিসাগর টাউনে ৮ নম্ব জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দেয় বিক্ষোভকারীরা। যানবাহনের উপরও পাথর বৃষ্টি করে জনতা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয় ওই এলাকায়। তবে উত্তেজিত জনতার হামলায় রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ গুলি চালালে শ্রীকান্ত দাস নামের ৪৫ বছরের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত আরও পাঁচ।

Advertisement

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে মিজোরামে (Mizoram) সাম্প্রদায়িক অশান্তির আবহে বাধ্য হয়ে রাজ্য ছাড়েন ব্রু জনজাতির বাসিন্দারা। তারপর থেকেই ত্রিপুরার কাঞ্চনপুরে শরণার্থী শিবিরে আছেন তাঁরা। সাম্প্রদায়িক অশান্তির ভয়ে তাঁরা আর দেশে ফিরতে পারেননি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এই ব্রু উপজাতিদের প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু, তারপর আর সেই প্রক্রিয়া গতি পায়নি। ব্রু উপজাতির সংগঠনগুলির দাবি, দ্রুত তাদের উদ্দেশে মানবিক পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে। এবং ধীরে ধীরে মিজোরাম ও ত্রিপুরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।

[আরও পড়ুন: মুম্বইয়ের ধাঁচে হামলার আশঙ্কা, ‘সমুন্দরি জেহাদ’ রুখতে প্রস্তুত নৌসেনা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.