Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
BJP Councillor Manish

রেস্তরাঁয় পুলিশকে মারধর বিজেপি কাউন্সিলরের, ভাইরাল ভিডিও

দেখুন ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০১৯, ১৪:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০১৯, ১৪:০৬

options
link
রেস্তরাঁয় পুলিশকে মারধর বিজেপি কাউন্সিলরের, ভাইরাল ভিডিও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুলিশই আইনের রক্ষাকর্তা। অথচ প্রকাশ্যে সেই পুলিশের গায়েই হাত তোলা হল। কিন্তু তখনই প্রতিবাদ জানানো গেল না। কেন? কারণ ক্ষমতা। রেস্তরাঁর মধ্যেই বিজেপি কাউন্সিলারের হাতে মার খেতে হল এক সাব-ইন্সপেক্টরকে।

গত শুক্রবার মীরাটের ব্ল্যাক পিপার রেস্তরাঁর ঘটনা। এক মহিলা আইনজীবীর সঙ্গে রেস্তরাঁয় গিয়েছিলেন সাব-ইন্সপেক্টর সুখপাল সিং পানওয়ার। তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলে খবর। সেখানে খাবার দিতে দেরি করায় মেজাজ সপ্তমে পৌঁছে যায় ওই মহিলার। রাগের মাথায় টেবিলে রাখা প্লেট, বাটি ছুড়তে শুরু করেন তিনি। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর মণীশ পানওয়ার এবং তাঁর এক সহকারী। পুলিশ ও তাঁর সঙ্গিনীকে ‘উচিত শিক্ষা’ দিতে আসরে নামের তাঁরা। রেস্তরাঁর গেট বন্ধ করিয়ে সুখদেব সিং পানওয়ারকে লাগাতার থাপ্পড় মারতে শুরু করেন তিনি। মারের জেরে মাটিতে লুকিয়ে পড়েন ওই সাব ইন্সপেক্টর। মহিলার সঙ্গেও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় কাউন্সিলরের। গোটা ঘটনাটি ধরা পড়ে রেস্তরাঁর সিসিটিভি ফুটেজে। যা আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। ঘটনায় বিজেপি কাউন্সিলর এবং তাঁর সহকারীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জানান ওই আইনজীবী মহিলা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার গ্রেপ্তার করা হয় কাউন্সিলরকে।

Advertisement

[বাঁদরদের তাণ্ডবে মৃত্যু বৃদ্ধের, ‘অভিযুক্ত’দের শাস্তির দাবিতে সরব পরিবার]

গোটা বিষয়টি ক্যামেরাবন্দি করতে চেয়েছিলেন ওই পুলিশ আধিকারিক। কিন্তু তাঁর মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এদিকে, দৌরালার সার্কল অফিসার পঙ্কজ সিং জানান, মোহিউদ্দিনপুরের থানায় কর্মরত ছিলেন সুখদেব সিং পানওয়ার। তাঁকে আপাতত পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় তাঁর কোনও অপরাধ আছে কিনা, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হবে। 

এর আগেও নেতাদের বিভিন্ন কাণ্ডকারখানায় যোগীর রাজ্যে বিপাকে পড়তে হয়েছে বিজেপিকে। বারবার মুখ পুড়েছে গেরুয়া শিবিরের। তারই পুনরাবৃত্তি এই ঘটনা। এমন ঘটনা নিজের ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলতে মীরাটের বিজেপি সভাপতি মুকেশ সিংহল বলেন, তিনি লখনউয়ে ছিলেন। তাই এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.