Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Bihar police death in Bengal

বাংলায় এসে গণপিটুনিতে মৃত্যু ছেলের, খবর পেয়েই শোকে প্রাণ হারালেন মা

এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেত্রীকে বিঁধলেন মোদি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১২:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১২:৩৯

options
link
বাংলায় এসে গণপিটুনিতে মৃত্যু ছেলের, খবর পেয়েই শোকে প্রাণ হারালেন মা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুষ্কৃতীর খোঁজে বাংলায় এসে গণপিটুনিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন বিহারের (Bihar) পুলিশ আধিকারিক। ছেলেকে হারিয়ে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিলেন মা। শেষে ছেলের শোকে প্রাণ হারালেন তিনি। রবিবার মা-ছেলের শেষকৃত্য হল একসঙ্গে। হৃদয়বিদারক এই ঘটনাকেই এবার বাংলায় প্রচারের হাতিয়ার করল বিজেপি।

পূর্ব বর্ধমানের তালিত ময়দানের সভা থেকে বাংলার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে সরব হন বিজেপির হেভিওয়েট প্রচারক নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। অরাজকতার প্রমাণ দিতে গিয়ে উত্তর দিনাজপুরের ঘটনার কথা তুলে আনেন তিনি। শনিবার পান্তিপাড়া গ্রামে বিহারের এক পুলিশ আধিকারিক অশ্বিনীকুমারকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। সেই খবর অশ্বিনীকুমারের পরিবারের কাছে পৌঁছতেই শোকে প্রয়াত হন তাঁর মা-ও। এদিন নিজের বক্তব্যে সেই ঘটনার উল্লেখ করলেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, “গতকাল বিহারে ছেলের শোকে মা প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁর ছেলে বাংলায় দুষ্কৃতীকে ধরতে এসে গণপিটুনিতে প্রাণ হারিয়েছেন। দিদি ওই মা কি আপনার মা নয়?” এর পরই তাঁর কটাক্ষ, “বাংলার মানুষ আপনার নৃশংসতাটা দেখেনি।”

Advertisement

[আরও পড়ুন : চার দফার ভোটের পরই রাজ্যে প্রচারের কৌশল বদলাচ্ছে বিজেপি]

উল্লেখ্য, পাঞ্জি পাড়ার গ্রামের কুখ্যাত দুষ্কৃতী ফিরোজের বিরুদ্ধে বিহারে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। পূর্ণিয়া-সহ একাধিক এলাকায় বাইক চুরি করে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সেই সূত্র ধরেই পান্তিপাড়া এলাকায় তল্লাশি চালাতে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মীরা। পূর্ণিয়ার আইজির দাবি, পাঞ্জিপাড়া ফাঁড়ির পুলিশকে জানিয়েই এই অভিযান চালানো হয়েছিল। অভিযোগ, গ্রামে ঢুকে তল্লাশি চালানোর সময় অশ্বিনীকুমারকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পাশাপাশি গোটা গ্রামে রটিয়ে দেওয়া হয় রাতের অন্ধকারে গ্রামে বাইক চুরি করতে এসেছিল কয়েকজন। উরদি পরে ঘুরতে দেখে মারধর করা হয় বলে গ্রামবাসীদের জানায় ফিরোজ। এদিকে ওই অভিযানে অশ্বিনীকুমারের সঙ্গে থাকা বিহারের ৬ পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করেছে সে রাজ্যের সরকার। কারণ, আইসিকে যখন গ্রামবাসীরা মারধর করছিল সেই সময় ওই ছয় আধিকারিক পালিয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে এই গোটা ঘটনায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.