২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘আমরা মন্ত্র উচ্চারণ করছিলাম মাত্র, বাবরি ভাঙার ষড়যন্ত্র করিনি’, দাবি সাধ্বী ঋতম্ভরার

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: September 30, 2020 3:06 pm|    Updated: September 30, 2020 4:47 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাবরি মসজিদ ধ্বংস (babri demolition case) মামলার রায়ে ৩২ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করেছেন লখনউয়ের সিবিআই আদালতের বিচারক। আগে থেকে পরিকল্পনা করে ওই মসজিদ ভাঙা হয়নি বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সেই একই কথা বললেন এই মামলায় বেকসুর খালাস পাওয়া হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের ফায়ারব্র্যান্ড নেত্রী সাধ্বী ঋতম্ভরা। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পিছনে তাঁদের কোনও হাত নেই বলে উল্লেখ করে জানালেন, তাঁরা কোনও ষড়যন্ত্র করেননি। শুধুমাত্র মন্ত্র উচ্চারণ করছিলেন।

বুধবার সকালে সিবিআই (CBI) আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য মঙ্গলবার রাতে উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউতে পৌঁছে গিয়েছিলেন সাধ্বী ঋতম্ভরা (Sadhvi Ritambhara)। পরে রাতেই সেখানকার ভিআইপি গেস্টহাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেসময় বাবরি মামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘বাবরির পরিকাঠামোর ভাঙার বিষয়ে কোনও চক্রান্ত করিনি আমরা। শুধুমাত্র মন্ত্র উচ্চারণ করছিলাম, ষড়যন্ত্র নয়। এখন অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি করার লক্ষ্যপূরণ হয়েছে। তাই এর জন্য কোনও মূল্য দিতে হলেও অসুবিধা নেই। আদালত যা সিদ্ধান্ত দেবে তা মাথা পেতে নেব।’

[আরও পড়ুন: বাবরি মামলায় ‘অপবাদমুক্ত’ হয়ে খুশি আডবানী-যোশীরা, হাই কোর্টে যাবে মুসলিম ল’ বোর্ড! ]

রাম মন্দির তৈরির জন্য ৫০০ বছর ধরে প্রচুর মানুষ অনেক বলিদান দিয়েছে বলে উল্লেখ করে ঋতম্ভরা আরও বলেন, ‘১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর কোনও ষড়যন্ত্র করা হয়নি। ওটা একটা দুর্ঘটনা ছিল। তাই অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমরা কোনওদিনই অন্যের সম্পত্তি দখল করতে চাই না। শুধুমাত্র, আমাদের বিশ্বাস ও রামলালার জন্য লড়াই করেছিলাম। আসলে ৫০০ বছর ধরে রাম মন্দির (Ram temple) তৈরির জন্য প্রচুর মানুষ অনেক বলিদান দিয়েছেন। আমাদের সৌভাগ্য যে এই বিবাদের মীমাংসা দেখে যেতে পারলাম। এখন শ্রী রাম জন্মভূমিতে তৈরি হওয়া সুবিশাল মন্দিরে বিরাজমান হবেন রামলালা।’

মঙ্গলবার রাতে কোনও ষড়যন্ত্র করেননি বলে দাবি করলেও বুধবার দুপুরে সিবিআইয়ের আদালত ৩২ জন অভিযু্ককে বেকসুর খালাস করতেই বদলে যায় সাধ্বী ঋতম্ভরার গলার সুর। সাফ জানিয়ে দেন, ‘রাম মন্দির ইস্যু মিটল, এবার কাশী মথুরাতেও আমরা আমাদের নৈতিক অধিকারের জন্য লড়াই করব।’

[আরও পড়ুন: করোনার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে মহিলা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের উপর, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement