Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Pakistan-China

বড়সড় ‘আঁতাঁত’ পাকিস্তান-চিনের! ভারতের বিরুদ্ধে ‘বিরাট ষড়যন্ত্র’ নিয়ে উদ্বেগের কথা শোনালেন সেনাপ্রধান

৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকেই কাশ্মীরে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করছে পাকিস্তান বলে অভিযোগ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৫, ১৪:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৫, ১৪:৩৩

options
link
বড়সড় ‘আঁতাঁত’ পাকিস্তান-চিনের! ভারতের বিরুদ্ধে ‘বিরাট ষড়যন্ত্র’ নিয়ে উদ্বেগের কথা শোনালেন সেনাপ্রধান zoom
সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ‘আঁতাত’ বহুদিনের। এনিয়ে এবার মুখ খুললেন সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেন, পাকিস্তান এবং চিনের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের যোগসাজশ রয়েছে। তা অস্বীকার করার উপায় নেই। এবং এটা খুবই উদ্বেগের বিষয়। কয়েকদিন আগেই জানা গিয়েছিল ইসলামাবাদকে ৪০টি পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ ফাইটার জেট দিতে চলছে ‘বন্ধু’ বেজিং। এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান রাডারে প্রায় অদৃশ্য। ফলে সহজেই ‘শত্রুপক্ষে’র চোখে ধুলো দিতে পারে এই জেটগুলো। অনেকেই বলছেন দিল্লিকে চাপে ফেলতেই পাকিস্তানের হাতে যুদ্ধবিমান তুলে দিচ্ছে চিন। 

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন স্থল, নৌ ও বায়ুসেনা প্রধান। দেশ-বিদেশের নানা বিষয়, ভারতের প্রতিরক্ষা, কূটনীতি এরকম নানা প্রসঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। চিন ও পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, “এটা আমাদের মানতেই হবে যে, চিন এবং পাকিস্তানের মধ্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের যোগসাজশ রয়েছে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে তা প্রায় ১০০ শতাংশ। পাকিস্তানের যাবতীয় সরঞ্জাম চিন থেকে আসে। দু’দেশের দিক থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে, এটাই বাস্তব।”

Advertisement

৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকেই কাশ্মীরে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করছে পাকিস্তান বলে অভিযোগ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর। ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করিয়ে প্রতিনিয়ত নাশকতার ছক কষছে তারা। জম্মু ও কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সন্ত্রাসবাদী হামলার লঞ্চপ্যাডগুলো সক্রিয় করেছে পাক সেনা। সেখান থেকে জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তইবার জঙ্গিরা ভারতে অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে। উপত্যকায় জেহাদিদের বাড়বাড়ন্ত প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশ ঘটেই চলেছে। আমাদের আশঙ্কা আগামী দিনে উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা আগের চেয়ে অনেক কমেছে।” পরিসংখ্যান তুলে ধরে সেনাপ্রধান বলেন, “২০১৮ সালের পর থেকে কাশ্মীরে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপের পরিমাণ ৮৩ শতাংশ কমে গিয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই এই সাফল্য এসেছে। কাশ্মীরে সন্ত্রাস কমে পর্যটন বেড়েছে।”

পাকিস্তান প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেন, “গত বছরে কাশ্মীরে যে সংখ্যক জঙ্গি নিকেশ হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৬০ শতাংশই পাক নাগরিক। নিজেদের চরমপন্থারই ফল ভুগছে পাকিস্তান। আরও গভীর সংকটে তলিয়ে যাচ্ছে তারা। আমরা পাকিস্তানে স্থিতাবস্থা চাই। পাকিস্তান জঙ্গিদের ঘাঁটিতে পরিণত হোক, সেটা কখনই চাই না।’’ বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই সন্ত্রাসবাদের মাঝে চিনের এই যোগসাজশ এখন ভারতের মাথাব্যথার কারণ।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই জানা যায়, যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে পাকিস্তান-চিনের মধ্যে আলোচনা হয়। বেজিং উন্নত সামরিক বিমানগুলোর মধ্যে অন্যতম জে-৩৫এ স্টেলথ ফাইটার জেট। চুক্তি সম্পন্ন হলে আগামী দুবছরের মধ্যে ইসলামাবাদের হাতে চলে আসবে ৪০টি জে-৩৫এ ফাইটার জেট। এই মুহূর্তে পাকিস্তানের কাছে রয়েছে মার্কিন এফ-১৬ ও ফরাসি মিরাজ ফাইটার জেট। কিন্তু ভারতের রাফালে যুদ্ধবিমানগুলোর মোকাবিলা করার জন্য সেগুলো যথেষ্ট পুরনো।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.