সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুসলিমরা ভারত মাতার পুজো করলে ক্ষতি কী? বুধবার হিন্দু মহাসম্মেলনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে এমনই সওয়াল করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। তাঁর বক্তব্য, ধর্মীয় রীতি-নীতি আলাদা হতেই পারে, কিন্তু আদতে প্রত্যেকেই যখন এই ভারতভূমির সন্তান তখন জন্মভূমির স্তুতি করতে অসুবিধা কোথায়?
(বিমানবন্দরের ধাঁচে ঢেলে সাজানো হচ্ছে হাওড়া, শিয়ালদহ-সহ ১৫ স্টেশন)
বুধবার মধ্যপ্রদেশের বেতুলে সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ভারতের একটাই সংস্কৃতি। আর সমস্ত দেশবাসীর সেই সংস্কৃতি মেনে চলা উচিত। ধর্মীয় ভেদাভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু সবার আগে দেশ। তাঁর মতে, ‘ইসলাম সম্প্রদায়ের মানুষ ভারত মাতার আরতি করলে সমস্যা কোথায়? হিন্দুস্তানে বসবাসকারী মুসলিমরাও আদতে মন থেকে সবাই হিন্দু।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘ইংল্যান্ডে বসবাসকারীরা যদি ইংলিশ হন এবং আমেরিকার বাসিন্দা যদি আমেরিকান হন, তবে হিন্দুস্তানের বাসিন্দারা হিন্দু হবেন না কেন?’ তাঁর কথায়, প্রত্যেক দেশবাসীর ঘরে ঘরে ভারত মাতার পুজো করা উচিত।
(বিরোধীশূন্য বিধানসভায় পাশ ভাঙচুর বিরোধী বিল)
তিনি এদিন জানিয়েছেন, সমাজ থেকে জাতিভেদ প্রথা তুলে দিতে আগামিদিনে দেশ জুড়ে অভিযান শুরু করবে আরএসএস। সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার কথা বলেছেন তিনি। সমাজ বিভক্ত হয়ে পড়লে বহিরাগত শত্রু সেই সুযোগে আমাদের নিপীড়ন করবে। একইসঙ্গে আদিবাসীদের যাঁরা হিন্দুর মর্যাদা দেন না তাঁদেরও নিশানা করেছেন সঙ্ঘ প্রধান। তাঁর ভাষায়, হিন্দু ধর্মে ৩৩ কোটি দেবতার উল্লেখ রয়েছে। আগামিদেন আরও দেবতার জন্ম হবে। কিছু মানুষ মূর্তিপুজোয় বিশ্বাস রাখেন না। তাঁরা প্রত্যেকে পরিবর্তিত হিন্দু সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী। সমাজের সেই পরিবর্তিত চিন্তাধারাকে মেনে নিতে হবে। তাহলেই বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যকে খুঁজে পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?
-
রুপোর গ্লাসে জল খান কঙ্গনা রানাউত! উপকারিতা জানলে আপনিও খাবেন
-
মাছের আড়ালে গরুর মাংস পাচার! উত্তরপ্রদেশে বাজেয়াপ্ত ১.৬৮ কোটির অবৈধ ব্যবসা
-
টানা বৃষ্টিতেও পুরোদমে চলছে এসি? জেনে নিন কোন ভুলে হতে পারে চরম ক্ষতি
-
‘আমার কাছে এলে রেজিনগর থেকে বিধানসভায় পাঠাতে পারি’, মমতাকে ‘অফার’ হুমায়ুনের