Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
MK Stalin

জনসংখ্যার চাপ উড়িয়ে ১৬টি করে সন্তানের বার্তা, এমন কেন বললেন স্ট্যালিন?

এর আগে এমনই পরামর্শ দিয়েছিলেন অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২৪, ১৭:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২৪, ১৭:২৫

options
link
জনসংখ্যার চাপ উড়িয়ে ১৬টি করে সন্তানের বার্তা, এমন কেন বললেন স্ট্যালিন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চাকরি নেই, অথচ বিপুল জনসংখ্যার ভিড়ে নাজেহাল অবস্থা দেশবাসীর। চিনকে ছাপিয়ে বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ জনসংখ্যার দেশে পরিণত হয়েছে ভারত। বেহাল এই অবস্থায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণকে গুরুত্ব দেওয়া পরিবর্তে আরও বেশি বেশি সন্তানের জন্ম দেওয়ার পরামর্শ দিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন। তাঁর বার্তা, নবদম্পতিদের উচিৎ অন্তত ১৬টি করে সন্তানের জন্ম দেওয়া। তাঁর এহেন প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক চরম আকার নিয়েছে।

সোমবার চেন্নাইয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন। তাঁর উপস্থিতিতে সেখানে ৩১ জোড়া দম্পতির বিবাহ সম্পন্ন হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তামিল ভাষায় একটি পুরানো প্রবাদ আছে, ‘পাধিনারুম পেতরু পেরু ভাজভি ভাজগা’। যার মাধ্যমে দম্পতিরা সন্তান-সহ ১৬টি সম্পত্তি কামনা করে। তবে এখন সময় এসেছে ১৬ সম্পত্তি নয়, ১৬টি সন্তান কামনা করার।” এর পরই তিনি বলেন, ‘আমাদের জনসংখ্যা দ্রুত গতিতে কমে আসছে। এর প্রভাব আগামী দিনে দেশের লোকসভা আসনগুলিকে প্রভাবিত করবে। তাহলে আমরা কেন ১৬টি করে সন্তানের জন্ম দিচ্ছি না? সমাজের ভারসাম্য রক্ষা করতে আমাদের ১৬টি করে সন্তান নেওয়া উচিৎ।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে শুধু স্ট্যালিন নন, গত রবিবার অন্ধ্রের মানুষের কাছে অধিক সন্তান জন্ম দেওয়ার দাবি করেন চন্দ্রবাবু নাইডু। তিনি বলেন, ‘রাজ্য সরকার এমন একটি আইন আনার কথা ভাবছে, যে আইন অনুসারে, কেবলমাত্র সেই সমস্ত ব্যক্তিরাই স্থানীয় প্রশাসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন, যাঁদের দুইয়ের বেশি সন্তান থাকবে।’ তাঁর দাবি ছিল, অন্ধ্রপ্রদেশ-সহ দেশের নানা অংশের গ্রামগুলিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ফলে প্রবীণদের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। এমনটা চলতে থাকলে ২০৪৭ সালে এখানে প্রবীণদের সংখ্যাই বেশি হবে। আমরা লাগামছাড়া জনসংখ্যার বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু, তাতে নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে।

পাশাপাশি চন্দ্রবাবু জানান, আধুনিক প্রজন্মের দম্পতিরা একটির বেশি সন্তান নিতে অনিহা প্রকাশ করছেন। যা আগামী দিনের জন্য এঁকে বারেই শুভ সংকেত নয়। এই মানসিকতা দক্ষিণের রাজ্যগুলির জন্য বিপদের কারণ হয়ে উঠবে বলেও দাবি জানান অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী। এবার সেই একই সুর ধরা পড়ল স্ট্যালিন গলায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.