BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রাজধানীও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেট, শীতে ট্রেন যাত্রায় অনীহা বাড়ছে

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 5, 2018 2:57 pm|    Updated: January 5, 2018 2:57 pm

An Images

কেন এই বিলম্ব?

সুব্রত বিশ্বাস: রাজধানীর মতো ট্রেনে বিলাসবহুল যাত্রায় অনীহা বাড়ছে যাত্রীদের। নিউ দিল্লি থেকে শিয়ালদহ আসতে ৩৬ ঘণ্টা সময় নিল রাজধানী এক্সপ্রেস। হাওড়ায় ৩২ ঘণ্টা। দু’টি ট্রেনই বৃহস্পতিবার সকালে আসার কথা থাকলেও শুক্রবার বিকেলের দিকে আসে। শুক্রবার যে রাজধানীর হাওড়া আসার কথা তা এগারো ঘণ্টা বিলম্বে আসে। শিয়ালদহের রাজধানী তেরো ঘণ্টা বিলম্বে আসে। দুরন্ত এক্সপ্রেসের অবস্থা একই। তেরো ঘণ্টার বেশি বিলম্ব। কালকা একুশ ঘণ্টা বিলম্বে চলাচল করছিল। দশ ঘণ্টারও বেশি সময় বিলম্বে হাওড়া আসে দুন ও মুম্বই মেল। প্রচণ্ড ঠান্ডায় যখন যাত্রীদের জবুথবু দশা তখন ট্রেন চলেছে ঘণ্টায় দশ-পনেরো কিলোমিটার বেগে।

[নোট বাতিল ও জিএসটির প্রভাব, আর্থিক বৃদ্ধির হার কমে ৬.৫%]

এই অস্বাভাবিকতার জন্য শুক্রবার হাওড়া থেকে বাতিল করা হয় পূর্বা এক্সপ্রেস, আনন্দবিহার। অতি বিলম্বের কারণে গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলির যাত্রীরা চরম অসুবিধার মধ্যে পড়লেও বাতিল করা হচ্ছে না ট্রেন। রেল জানিয়েছে আয় ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় নয়, রাজধানী, শতাব্দী ও দুরন্তের গোনা-গুনতি রেক। হাওড়ায় না এলে সংশ্লিষ্ট আপ ট্রেনটি ছাড়তেই পারবে না। এই অসুবিধার হাত থেকে রেহাই পেতে ট্রেন বাতিল করতে পারছে না রেল। বিলম্বের মূল কারণ হিসাবে রেল জানিয়েছে, আফগানিস্তান, পাকিস্তানের সঙ্গে এবার উত্তর ভারতে কুয়াশা ঘনত্ব এতটাই যে সিগন্যাল দেখাই যাচ্ছে না। দৃশ্যমানতা প্রায় না থাকার কারণে চালকরা ধীরে ট্রেন চালাচ্ছেন। ক্রসিং ও সিগন্যাল লক্ষ্য করার এই অসুবিধা দূর করতে রেল বিশেষ ধরনের ডিভাইস চালু করেছে। জিপিএস প্রযুক্তিতে চালক তা বুঝতে পারবেন। তবে এই প্রযুক্তি সব ইঞ্জিনে না থাকায় সমস্যা রয়েই গিয়েছে।

[দেখাশোনায় বিরক্তি, মাকে বারান্দা থেকে নিচে ফেলে দিল অধ্যাপক ছেলে]

২,৭০০টি ইঞ্জিনে এই প্রযুক্তি ব্যবহারে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা চলছে। যত প্রযুক্তিই প্রয়োগ হোক আদপে সমস্যার মুখে পড়ছেন যাত্রীরা। ট্রেনে খাবার ও পানীয়ের চরম সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সাধারণ মানের ট্রেনের শৌচালয়গুলি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। রাজধানীর, শতাব্দী, দুরন্তে ‘রেডি টু ইট’ খাবার দেওয়া হচ্ছে। আইআরসিটিসির গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে তাঁদের কিছু করার নেই। তবে শীতের আমেজের বদলে এমন কষ্টদায়ক যাত্রার অভিজ্ঞতায় যাত্রীরা বলছেন, শীতে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া উত্তর ভারতে যাত্রা না করাটাই ভাল।

[রেলব্রিজের নিচ থেকে উদ্ধার ল্যান্ডমাইন, বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement