Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Siddaramaiah

‘হিন্দুত্বে অস্পৃশ্যতা না থাকলে এত ধর্মবদল কেন?’ মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার প্রশ্নে তুঙ্গে বিতর্ক

সিদ্দারামাইয়াকে তুলোধনা বিজেপির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৫, ১৪:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৫, ১৪:৩২

options
link
‘হিন্দুত্বে অস্পৃশ্যতা না থাকলে এত ধর্মবদল কেন?’ মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার প্রশ্নে তুঙ্গে বিতর্ক zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্মান্তরণ ইস্যুতে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার। তাঁর প্রশ্ন, যদি হিন্দু ধর্ম সকলকে সমান অধিকার দেয়, এতে কোনও অস্পৃশ্যতা না থাকে, তাহলে এখানে এত ধর্মবদল কেন? মুখ্যমন্ত্রীর এহেন বক্তব্য সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছে কর্নাটক বিজেপি।

সম্প্রতি ধর্মান্তরণ ইস্যুতে হিন্দু ধর্মের সমালোচনার পাশাপাশি ধর্ম বদলকে মানুষের অধিকার বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। তিনি বলেন, “আমরা যতই বলি না কেন ধর্মান্তরণ করবেন না, কিন্তু কিছু মানুষ আমাদের ধর্মীয় ব্যবস্থার কারণে ধর্মান্তরণ করেন। আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে যদি সকলকে সমান চোখে দেখা হত, সকলের জন্য সমান সুযোগ থাকত, তাহলে ধর্ম বদলের কোনও প্রয়োজন পড়ত কী? আমরাই কী হিন্দু সমাজের মধ্যে এত ছুঁতমার্গ তৈরি করিনি?” এর পরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হতে পারে মুসলিম বা খ্রিস্টান ধর্মেও সকলকে সমান চোখে দেখা হয় না। কিন্তু আমরা বা বিজেপি কেউই কাউকে ধর্ম বদল করতে বলেনি। এটা মানুষের অধিকার, মানুষ তার নিজের ইচ্ছায় ধর্ম পরিবর্তন করেন।”

Advertisement

সিদ্দারামাইয়ার এহেন মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর নিন্দায় সরব হয়েছে বিজেপি। কর্নাটক বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা অশোক বলেন, ‘উনি হিন্দু ধর্মের সমালোচনা করলেন। যদি ইসলাম ধর্মে অস্পৃশ্যতা না থাকে তাহলে মহিলাদের মসজিদে প্রবেশের অনুমতি নেই কেন? তিন তালাকে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর কেন এর বিরোধীতা করা হল? যদি ওই ধর্মে সাম্য থাকে তাহলে কোরানে হিন্দু-সহ অমুসলিমদের কেন কাফের বলে উল্লেখ করা হয়?’ এরপরই সুর চড়িয়ে বলেন, ‘সিদ্দারামাইয়া মুসলিমদের এই প্রশ্নগুলি করার ক্ষমতা আপনার আছে কি?’ এখানেই অবশ্য থামেননি অশোক। তাঁর প্রশ্ন, ‘ইসলাম যদি শান্তিপ্রিয় ধর্ম হয়, সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে তাহলে পহেলগাঁওয়ে কেন পর্যটকদের নাম জিজ্ঞাসা করে হত্যা করা হয়েছিল? কেন কলমা পড়তে বলা হয়েছিল? কেন শুধু হিন্দুদের হত্যা করা হয়? এই প্রশ্নগুলি জিজ্ঞাসা করার ক্ষমতা আপনার নেই।’

উল্লেখ্য, এই বিতর্কের সূত্রপাত জাতিগণ জনগণনাকে কেন্দ্র করে। সেখানে এক নয়া বিভাগ রাখা হয়েছে যারা ধর্ম বদল করে অন্য ধর্মে গিয়েছেন তাঁদের জন্য। সরকার এই বিষয়টিকে মান্যতা দিলেও বিরোধিতার সরব হয়েছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে সিদ্দারামাইয়া বলেন, ধর্ম বদল করে অন্য ধর্মে গিয়েছেন তাঁদের চিহ্নিত করার জন্য এই উদ্যোগ। প্রসঙ্গত, কর্নাটকে কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে, বিজেপি ধর্মবদলে চলে যাওয়া হিন্দুদের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করাচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.