Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
তিন তালাক

৩০ টাকা চাওয়ায় মহিলাকে মাঝ রাস্তায় তিন তালাক দিলেন স্বামী

রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় ওই মহিলাকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০১৯, ১৩:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০১৯, ১৩:২৪

options
link
৩০ টাকা চাওয়ায় মহিলাকে মাঝ রাস্তায় তিন তালাক দিলেন স্বামী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভাঁড়ার ফাঁকা, তাই সবজি কেনার জন্য স্বামীর কাছে ৩০ টাকা চেয়েছিলেন এক মহিলা। তা টাকা দেওয়া তো দূরের কথা, এই ‘অপরাধের’ জন্য মাঝ রাস্তায় ওই মহিলাকে মারধর করে তিন তালাক দিয়ে দিলেন স্বামী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: সাতসকালে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা কাশ্মীরে, মৃত অন্তত ৩৩]

Advertisement

এই জঘন্য ঘটনাটি ঘটেছে নয়ডার রাওজি বাজারে। আক্রান্ত মহিলার নাম জায়নাব। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার। অভিযুক্ত সাবিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, দাদরি এলাকার নয়ী আবাদি এলাকায় চার সন্তান ও স্ত্রী জয়নাবকে নিয়ে থাকেন সাবির। যৌথ পরিবার হওয়ায় প্রায়ই অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে মনোমালিন্য চলত জায়নাবের। অভিযোগ, ঘটনার দিন রাওজি বাজারে স্বামীর সঙ্গে যান তিনি। সেখানে সবজি কেনার জন্য ৩০ টাকা চাইতেই রেগে যান সাবির। বেধড়ক মারধর করেন স্ত্রীকে। তারপরই তাঁকে তিন তালাক দিয়ে দেন সাবির। ঘটনার কথা জানতে পেরে জায়নাবের দুই ভাই এসে তাঁকে উদ্ধার করে এবং হাসপাতালে নিয়ে যায়।

জায়নাবের অভিযোগ, “স্বামীর সঙ্গে দেওর, ননদ ও শাশুড়িও আমাকে মারধর করেন। আমাকে শক দেন তাঁরা। প্রবল অত্যাচারে অসুস্থ হয়ে পড়ি আমি। তারপর আমার মুখে থুতু দিয়ে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন আমার স্বামী।” তাঁর বাবা মোরসলিমের অভিযোগ, ঘটনার সময় তাঁর মেয়েকে মারধরের পাশাপাশি তাঁর কানের দুলও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন তাঁর শ্বাশুড়ি। কিন্তু বাবার দেওয়া উপহার না খোলায় আরও হেনস্তার মুখে পড়তে হয় জায়নাবকে। তাঁকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন মারধর করেন। তাঁর ৯ বছর বিয়ে, চারটি সন্তান থাকলেও স্বামী সাবিরের সঙ্গে সম্পর্ক বিশেষ ভাল ছিল না বলে জানিয়েছেন জায়নাবের বাবা। তিনি জানান, দু’বছর আগে একবার স্ত্রীর মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেছিল সাবির।

কয়েকবছর আগে জায়নাব অসুস্থ হওয়ায় তাঁকে বাপের বাড়িতে রেখে আসে সাবির। ৫-৬ দিন পর জায়নাব ফিরে গেলে তখনও তাঁকে বাড়িতে ফেরাতে অস্বীকার করা হয়। সাবির ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে দাদরি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সাবির ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট থেকে জামিন পেয়ে যাওয়ায় প্রশ্ন তুলেছে জায়নাবের পরিবার। তাঁদের দাবি, সাবিরকে সুরজপুর আদালতে পেশ করা উচিত ছিল। এই ঘটনা পরিবার আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: শর্ট স্কার্ট পরে ঢোকা যাবে না ইমামবাড়ায়, নিদান লখনউয়ের জেলাশাসকের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.