সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিয়ের পরে যদি স্ত্রী চাকরি করতে চান, তাহলে সেটা ক্রূরতা বলে ধরা যায় না। এক মামলার শুনানিতে এমনই মন্তব্য করল বম্বে হাই কোর্ট (Bombay High Court)। এক মহিলার স্বামীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তাঁর স্ত্রী চাকরি করা নিয়ে তাঁর সঙ্গে নিয়মিত ঝগড়া করেন। এবং তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করে সংসারও ছাড়েন। সেই মামলাতেই এই মন্তব্য আদালতের।
সংবাদ সংস্থা এফপি সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রথমে এই অভিযোগ নিয়ে ওই ব্যক্তি পারিবারিক আদালতের দ্বারস্থ হন। কিন্তু আদালত তাঁর বিরুদ্ধেই রায় দেয়। এরপর সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তিনি বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু হাই কোর্টও তাঁর স্ত্রীর পক্ষেই রায় দিল।
[আরও পড়ুন: ইপিএফে কি আর সুদ দিচ্ছে না কেন্দ্র? বিতর্কের মুখে কী জানাল অর্থ মন্ত্রক]
ঠিক কী অভিযোগ ওই ব্যক্তির? তাঁর দাবি, স্ত্রীর চাকরি করতে চাওয়া নিয়েই সমস্ত বিবাদের সূত্রপাত। পরিস্থিতি এমন হয়, ওই মহিলা স্বামীকে ত্যাগ করে বাড়ি ছাড়েন। এমনকী, তাঁর অনুমতি না নিয়েই গর্ভস্থ ভ্রূণটি নষ্ট করে দেন। কোনও কারণ ছাড়াই এই ভাবে তিনি নিষ্ঠুর আচরণ করেছেন বলে দাবি ওই ব্যক্তির।
এই প্রসঙ্গে বিচারপতি অতুল চন্দুরকর ও উর্মিলা যোশি-ফালকের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে ৪৭ বছরের ওই ব্যক্তি যে ক্রূরতার অভিযোগ এনেছেন তা ভিত্তিহীন। বেঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, এই মামলায় স্ত্রী, যিনি যথেষ্ট শিক্ষিত, তাঁর চাকরি করতে চাওয়া কোনও ভাবেই নিষ্ঠুরতা বলে ধরা যায় না। পাশাপাশি আদালতের বক্তব্য, ওই ব্যক্তি তাঁর অভিযোগের সাপেক্ষে কোনও প্রমাণ হাজির করতে পারেননি। সেই সঙ্গে ডিভিশন বেঞ্চ আরও জানিয়েছে, বাড়ি ছাড়ার ৩ বছর পর ওই ব্যক্তির স্ত্রী চাকরি করা শুরু করেন। তাই কোনও দিক থেকেই তাঁর অভিযোগ ধোপে টেকে না।
[আরও পড়ুন:‘ওরা সেটাই করে, যেটা মোদি বলেন’, খয়রাতি ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনকে তোপ কংগ্রেস-তৃণমূলের]
সর্বশেষ খবর
-
ট্রাম্পের কোনও কথাই শুনছেন না নেতানিয়াহু! সাফ জানালেন, গাজা থেকে সরবে না ইজরায়েলি ফৌজ
-
পরকীয়ার টান, প্রেমিকের ব্যবসা বাঁচাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে গয়না চুরির অভিনয় বধূর! তারপর…
-
এবার রেলপথে জুড়বে ভারত-রাশিয়া! মধ্যপ্রাচ্যকে বাইপাস করে ব্লুপ্রিন্ট সাজাচ্ছে মস্কো
-
লক্ষ্য ১৫ আগস্ট! কাঁটাতার দিতে নদিয়া সীমান্তে ১২৭ একর জমি হস্তান্তরের পথে প্রশাসন
-
অভয়ার মৃত্যুতে পুনর্তদন্ত, শ্মশানঘাটে কী হয়েছিল? বারাকপুরের সিপিকে খতিয়ে দেখার নির্দেশ শুভেন্দুর