Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

শোভাকে আইনি নোটিস পাঠাতে পারেন ওই পুলিশকর্তা

ভাবুন তো ওই পুলিশকর্তার পরিবারের কেমন লাগতে পারে!!!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৭, ১১:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৭, ১১:৪৯

options
link
শোভাকে আইনি নোটিস পাঠাতে পারেন ওই পুলিশকর্তা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশবাসী মুখ খুলেছেন আগেই। এবার সরব হলেন টুইটারে আক্রান্ত সেই পুলিশকর্তাও। হ্যাঁ! স্থূলকায় সেই পুলিশকর্তা, যাঁকে নিয়ে টুইট করে ইতিমধ্যেই নিজেকে সকলের হাসির পাত্রী করে তুলেছেন লেখিকা শোভা দে। ৫৮ বছর বয়সী মধ্যপ্রদেশের ওই পুলিশ কর্তা দৌলতারাম যোগাওয়াত জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে নিজের আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে শোভা দে-কে নোটিস পাঠানোর কথা ভাবছেন।

মধ্যপ্রদেশের নিমুচের পুলিশ ইনস্পেক্টর দৌলতারাম যোগাওয়াত। চাকরি থেকে অবসর নিতে আর বছর তিনেক বাকি। এমন একজন প্রবীণ নাগরিককে নিয়ে সোশাল সাইটে শোভা দে-র ‘তামাশা’ সত্যিই নিন্দনীয়। তাই বোধহয় এবার মুখ খুললেন দৌলতারাম নিজে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, “আমি কিন্তু ছোট থেকে মোটা ছিলাম না। প্রায় ২০ বছর আগে গলব্লাডারে স্টোন হয়ে তা থেকে ইনফেকশন হয়ে গিয়েছিল। গলব্লাডারটাই বাদ দিতে হয়। তারপর থেকেই আমার ওজন বাড়তে শুরু করে। শোভা দে-র মতো একজন ব্যক্তিত্ব কী করে এমন কাণ্ড করলেন! উনি কী আমার চিকিৎসার খরচ দেবেন?” এরপরই দৌলতারাম ক্ষোভের সুরে বলেন, “আমার আইনজীবীর সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলব। ওঁকে নোটিস পাঠানোর কথা ভাবছি।”

Advertisement

পাশাপাশি, শোভা দে যে ছবিটি টুইট করেছেন, তা অনেক পুরনো বলে জানিয়েছেন ওই পুলিশকর্তা। বাইরে কোথাও ডিউটি করতে গিয়েছিলেন, তখন হয়তো কেউ ওই ছবিটি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। দৌলতারাম পাল্টা প্রশ্ন করেন, তাঁর একটা সংসার রয়েছে। ছেলে-মেয়ে রয়েছে। তাঁরা চাকরি করে। বাবাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মশকরা করা হলে তাঁদের কেমন লাগতে পারে?

এবার চিত্রনাট্যে জোর দিতে চান অক্ষয়

অথচ শোভা দে-র মতো একজন ‘দায়িত্ববান’ নাগরিক কীভাবে নিজের টুইটারে ছবিটি পোস্ট করলেন! কীভাবেই বা ছবির সঙ্গে লিখলেন, “মুম্বইয়ে আজ ভারী পুলিশি বন্দোবস্ত ছিল”, উঠছে প্রশ্ন। একজন গণতান্ত্রিক দেশের নাগরিক হিসাবে কারও মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকতেই পারে। কিন্তু তা যদি অন্যকে কষ্ট দেয়, তবে তো সাংবিধানিক সেই অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। আর শোভা দে-র মতো একজন খ্যাতনামা লেখিকাকে তো কখনওই তা শোভা পায় না।

মোটা পুলিশকর্মীকে নিয়ে টুইটারে ঠাট্টা করে ফের বিতর্কে শোভা দে

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.