BREAKING NEWS

২৫ চৈত্র  ১৪২৬  বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

শপথের পরদিন মোদি-কেজরির সৌজন্য বিনিময়, একসঙ্গে কাজের বার্তা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: February 17, 2020 9:30 pm|    Updated: February 17, 2020 9:30 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লির তৃতীয়বারের মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে দিল্লির মসনদ হারানোর যন্ত্রণা চেপে, উষ্ণতায় ভরা শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। ‘ দ্যা মাফলার ম্যান’ও মোদির করা টুইটের পালটা হিসেবে দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদিকে ধন্যবাদ জানান।

কেজরিওয়াল ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,”এই উষ্ণ শুভেচ্ছার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। তবে আপনি উপস্থিত থাকলে আরও বেশি খুশি হতাম। আপনার ব্যস্ততা সম্পর্কে আমি অবগত। ভবিষ্যতে ভারতের রাজধানীকে বিশ্বের দরবারে আরও উন্নত করে তুলতে একত্রে কাজ করার আশা রাখলাম।” রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল(Arvind kejriwal)। তার সঙ্গে এদিনই শপথগ্রহণ করেন তাঁর মন্ত্রিসভার আরও ৬ মন্ত্রী। মন্ত্রী বা হেভিওয়েট নেতারা ছাড়া এই শপথগ্রহণ (Oath Ceremony) অনুষ্ঠানের বড় চমক ছিল দিল্লির আমজনতার উপস্থিতি। অনুষ্ঠানে তাদের অংশগ্রহণ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় ধর্ম ও দেশপ্রেমের রাজনীতির উর্দ্ধে গিয়েও জয় লাভ করা যায়।

[আরও পড়ুন:শীর্ষ নেতাদের চাপেও দমছেন না সিন্ধিয়া, ফের কমলনাথের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার হুমকি ]

এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও আমন্ত্রণ জানানো হয় বিজেপির সাতজন সাংসদ ও দিল্লির নতুন আটজন বিধায়কদের। তবে, তারা কেউই এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। নরেন্দ্র মোদি অবশ্য রবিবার উপস্থিত ছিলেন তার নিজের লোকসভা নির্বাচনী গড় বারাণসীতে। সেখানে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। উন্মোচন করেন বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মূর্তিও।

[আরও পড়ুন: গরিবি লুকোতে কোটি টাকার দেওয়াল, ট্রাম্পের সফর-প্রস্তুতি ঘিরে কটাক্ষ শিব সেনার]

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানালেও লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে কেজরিওয়াল একাধিক ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে বিঁধেছেন। তবে ভোটের ফল আপ বিরোধী হওয়ায় কার্যত মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন বর্তমান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। গেরুয়া শিবিরকে সরাসরি আক্রমণ করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সেই ব্যবহার তিনি বজায় রেখেছিলেন দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনেও। গেরুয়া শিবির তাঁকে একটার পর একটা কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেও গান্ধীনীতিতেই অটুট ছিলেন তিনি। কটু ভাষা প্রয়োগ বা সরাসরি আক্রমণে না গিয়ে শুধুমাত্র নিজের কাজের খতিয়ানেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন পদ্ম শিবিরের কাছ থেকে। এমনকি গত মাসে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সন্ত্রাসবাদ নিয়ে মোদিকে আক্রমণ করলে তাঁর হয়ে যোগ্য জবাবও দেন কেজরিওয়াল। এতে বোঝাই যায় গেরুয়া শিবিরের কাছ থেকে সৌজন্য়বোধ না পেলেও সৌজন্যের রাজনীতি করতে কোনও কার্পণ্য করেন না ‘দিল্লি কা বেটা।’

Advertisement

Advertisement

Advertisement