Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

ফের জাল ছড়াচ্ছে রাম রহিমের ডেরা, এবার মসনদে ‘রাজমাতা’ 

কে এই 'রাজমাতা'?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৮, ১২:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৮, ১২:২৪

options
link
ফের জাল ছড়াচ্ছে রাম রহিমের ডেরা, এবার মসনদে ‘রাজমাতা’  zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কৃতকর্মের জন্য গারদে ধর্ষক স্বঘোষিত বাবা রাম রহিম। তবে ভেঙে পড়েনি তার সাম্রাজ্য। এখনও রমরমিয়ে চলছে অধর্ম থুড়ি ধর্মের কারবার। ফের শক্তি বাড়াচ্ছে ডেরা সাচা সওদা। তবে কে ধরেছে ডেরার রাশ? এবার মিলল সেই প্রশ্নের উত্তর। জানা গিয়েছে, ডেরার কেন্দ্রে এখন রাম রহিমের মা নসিব কৌর। তাঁর হাতেই রয়েছে চাবিকাঠি।

[রাম রহিমের শিষ্য পরিচয়ে মধুচক্র, বড়বাজারে পর্দাফাঁস]

Advertisement

এক সর্বভারতীয় দৈনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজস্থান থেকে সিরসায় এসেছেন নসিব। মরুরাজ্যের গঙ্গানগর জেলায় পৈতৃক বাড়ি রাম রহিমের। সেখানেই থাকতেন তাঁর মা। আগে প্রচারে না এলেও, ছেলে গারদে যাওয়ায় ডেরার রাশ সামলাচ্ছেন তিনি। প্রায় প্রতি রবিবার ডেরায় ভক্তদের সঙ্গে আসরে বসেন তিনি। ভক্তদের সঙ্গে ‘নাম চর্চা’ বা প্রার্থনা করেন তিনি। তবে গুরুর আসনে এখনও রাখা রয়েছে রাম রহিমের ছবি। সেটিকে ঘিরেই প্রার্থনা করেন ভক্তরা। রাম রহিম জেলে যাওযার পর ডেরার শিষ্য সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। তবে সম্প্রতি ফের আনাগোনা বেড়েছে আশ্রমে। এর নেপথ্যে নসিব রয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, ডেরার সমস্ত কাজকর্ম চালাত ৪৫ জনের একটি কোর কমিটি। এদের মধ্যে সবথেকে বেশি প্রভাবশালী বিপাসনা ইনসান ও আদিত্য ইনসান। আপাতত দু’জনেই পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে পরোয়ানা। বাকি সদস্যরাও আপাতত গা ঢাকা দিয়েছে। ফলে এখন সিরসার ডেরা হেডকোয়ার্টারের সমস্ত ক্ষমতা নসিবের হাতে। তাকে ‘রাজমাতা’ নসিব বলেই ডাকে শিষ্যরা। উল্লেখ্য, ২০১৭-এ ধর্ষণের দায়ে ২০ বছরের সাজা দেওয়া হয় রাম রহিমকে। তারপর নিয়মিত ছেলের সঙ্গে দেখা করতে রোহতকের সোনারিয়া জেলে যেতেন নসিব।

[রাম রহিমকে ‘শিক্ষা’ দিতে প্রেমিক খুঁজছিল হানিপ্রীত?]

কী ছিল না বাবার ডেরায়! স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, বাজার তো ছিলই। বাবার শখের শেষ ছিল না। ফলে সপ্তম আশ্চর্যের আদলে অনেক সৌধও বানানো হয়েছিল। আইফেল টাওয়ার থেকে ডিজনি ল্যান্ড- নানা উপকরণে সাজিয়ে তুলেছিল নিজের ডেরা। অসংখ্য অনুগামীর ভিড়। উপচে পড়া অর্থ। আর তাতেই ভোগের পেয়ালা চলকে পড়ত। পাল্লা দিয়ে চলত যৌন কুকীর্তি। ধর্ষণের অভিযোগেই জেলে বাবা রাম রহিম। তবে শুধু দুটি ধর্ষণ তো নয়। সামনে এসেছে মাত্র সেই ঘটনা। এদিকে বাবার ভোগের ফিরিস্তি পেয়ে চোখ কপালে উঠেছিল দেশবাসীর। রীতিমতো  নিয়ম মেনে সাধ্বীদের ভোগ করত সে। কন্ডোমের পাহাড় ছিল ঘরে। ওদিকে জলের নিচে যৌনতা উপভোগের জন্যও ব্যবস্থা করেছিল। দেশের মধ্যেই যেন আর একটা দেশ, নিজস্ব অর্থনীতি তৈরি করে ফেলেছিল রাম রহিম। কিন্তু সেদিন গিয়েছে। তবে ডেরার সময় ফেরাতে এবার আসরে নেমেছেন নসিব।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.