সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্ষণের দায়ে প্রেমিক এবং তাঁর মাকে অভিযুক্ত করেছিলেন নির্যাতিতা তরুণী। ওই মামলায় মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের মন্তব্য, মহিলারা ধর্ষণ করতে পারেন না। তবে ধর্ষণে প্ররোচনা দেওয়ার দায়ে তাঁদের অভিযুক্ত করা যেতে পারে। এইসঙ্গে ধারা বদলে মহিলাকে ধর্ষণে প্ররোচনায় অভিযুক্ত করেছেন সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি প্রমোদ কুমার আগরওয়াল।
২০২২ সালের মামলা। তরুণী থানায় এফআইআর দায়ের করেন। পুলিশকে জানান, অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। যদিও অভিযুক্ত তাঁর ইচ্ছের বিরুদ্ধে একাধিক বার জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। অভিযুক্তের বাড়িতে এবং হোটেলে এই ঘটনা ঘটেছে। এই কাজে অভিযুক্তকে সাহায্য করেছে তাঁর মা ও ভাই। সরকার পক্ষের আইনজীবীর দাবি করেন, তরুণীকে একটি ঘরে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে ঘরটি বন্ধ করে দিতেন মা ও ভাই। তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হত তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত প্রেমিক, তাঁর মা এবং ভাই— তিন জনের বিরুদ্ধেই ধর্ষণ, একই মহিলাকে বার বার ধর্ষণ, খুন বা গুরুতর আঘাতের হুমকি দিয়ে ভয় দেখানো ইত্যাদি ধারায় মামলা রুজু করা হয়। মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টে মামলা উঠলে বিচারপতি প্রমোদকুমার আগরওয়াল মন্তব্য করেন, ‘‘মহিলারা ধর্ষণ করতে পারেন না।” যদিও বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, একজন মহিলা “ধর্ষণে প্ররোচনা দেওয়ার দায়ে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত হতে পারেন।” এরপরেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধারার পরিবর্তন করা হয়।
সর্বশেষ খবর
-
বানের ধ্বংসলীলায় নেপালজুড়ে হাহাকার! মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২, এখনও নিখোঁজ ১৩৩ ভারতীয়
-
ভারতের মাটিতে ভারতীয় দলের ম্যাচ, সম্প্রচার করবে পাকিস্তানি সংস্থা! কেন এমন সিদ্ধান্ত বোর্ডের?
-
‘একা হয়ে পড়েছিলাম’, ইডি তলব প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কেঁদে ভাসালেন নোরা
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক