Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Kerala Student Killed

স্কুলের পরীক্ষায় প্রতিযোগিতা, বেশি নম্বর পাওয়ায় মেয়ের সহপাঠীকে খুন মায়ের!

গ্রেপ্তার করা হয়েছে ওই মহিলাকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২২, ১৯:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২২, ১৯:৪০

options
link
স্কুলের পরীক্ষায় প্রতিযোগিতা, বেশি নম্বর পাওয়ায় মেয়ের সহপাঠীকে খুন মায়ের! zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে বিষ খাইয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠল তারই এক সহপাঠীর মায়ের বিরুদ্ধে। কেরলের (Kerala) এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত মহিলাকে। জানা গিয়েছে, স্কুলের পরীক্ষায় অভিযুক্ত মহিলার ছেলের চেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছিল ওই ছাত্র। তার সাফল্য মেনে নিতে না পেরেই ওই ছাত্রকে খুন করার পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত মহিলা। পুলিশি জেরায় নিজের দোষ স্বীকার করেছেন ওই মহিলা। ঘটনার বিশদ তদন্ত করছে পুলিশ।

 জানা গিয়েছে, মৃত কিশোরের নাম বালা মনিকন্দন। শনিবার স্কুলের পরে বার্ষিক অনুষ্ঠানের রিহার্সাল করে বাড়ি ফিরেছিল সে। কিন্তু বাড়ি ফিরেই সে ধীরে ধীরে নেতিয়ে পড়তে থাকে। বালার মা তাকে জিজ্ঞাসা করেন, স্কুলে সে কিছু খেয়েছিল কিনা। তখনই বালা জানায়, স্কুলের নিরাপত্তারক্ষী তাকে জুস খেতে দিয়েছিল। তারপরেই বালাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি,শনিবার রাতেই তার মৃত্যু হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন:শেষ পালা! নাটকের মাঝেই মৃত্যু হনুমানের চরিত্রাভিনেতার, অভিনয় ভেবে হাততালি দর্শকদের]

ঘটনার তদন্তে নেমে স্কুলের নিরাপত্তারক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। সে জানায়, এক মহিলা এসে জুসের বোতল দিয়েছিল। নিরাপত্তারক্ষীকে ওই মহিলা বলেছিল, বালার বাড়ি থেকে এই জুস পাঠানো হয়েছে। এটা যেন তাকে দিয়ে দেওয়া হয়। সেই মতোই বালার হাতে জুস দেওয়া হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে ওই মহিলা বালারই সহপাঠীর আরুল মেরির মা সাগায়ারানি ভিক্টোরিয়া।

পরিচয় জানতে পেরেই ভিক্টোরিয়াকে আটক করে পুলিশ। জেরায় তিনি জানান, তাঁর মেয়ের থেকে বেশি নম্বর পেয়েছিল বালা। ক্লাসে ফার্স্টও হয়েছিল বালা। নিজের মেয়ের থেকে কেউ এগিয়ে যাবে, সেটা মেনে নিতে পারেননি ভিক্টোরিয়া। সেই জন্যই বালাকে সরিয়ে দেওয়ার ছক কষেন তিনি। পরিকল্পনা মাফিক জুসে বিষ মিশিয়ে স্কুলে নিয়ে যান তিনি। নিরাপত্তারক্ষী মারফত বালাকে সেই জুস খাইয়ে দেন। স্থানীয় পুলিশ আপাতত গোটা ঘটনার তদন্ত করছে। ভিক্টোরিয়া ছাড়াও এই খুনের সঙ্গে আর কেউ জড়িত কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: পুরস্কারদাতারা বাম আদর্শ মানে না, ম্যাগসাইসাই প্রত্যাখ্যান কেরলের সিপিএম নেত্রী শৈলজার!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.