সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের অধিবাসী এক মহিলাকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তুলে এনে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ। দেহ সুটকেসে ভরে নির্জন জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তিন মাস পর সেই দেহবাশেষ উদ্ধার হতেই পুলিশের জালে অভিযুক্ত দম্পতি। এই ঘটনায় একটি পাচারচক্রেরও হদিশ পেয়েছে তদন্তকারীরা।
পুলিশ জানিয়েছে, খুন হওয়া তরুণী ঝাড়খণ্ডের সিমডেগা জেলার বাসিন্দা। মূল অভিযুক্তের নাম অঙ্কিত কুমার। তিনি উত্তরপ্রদেশের হাপুরের নওয়াদা কালান গ্রামের বাসিন্দা। অঙ্কিতের স্ত্রী কালিস্তা আলিয়াস কালী ও মৃতা একই এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, একটি পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রী। তাঁরা ঝাড়খণ্ডের গরিব মহিলাদের পরিচারিকার কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে দিল্লি এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিয়ে আসে। এরপর তাঁদের সঙ্গে নারকীয় অত্যাচার চালাত।
তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ঝাড়খণ্ডের তরুণীকে দিল্লিতে আনার পর তাঁকে ধর্ষণ করে অঙ্কিত।এছাড়াও ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেল করে। ২৭ আগস্ট রাতে তরুণী যখন পুলিশের কাছে যাওয়ার হুমকি দেয়, তখনই তাঁকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে অঙ্কিত এবং কালী। দু’দিন নিজেদের ভাড়া বাড়িতেই তরুণীর দেহ ফেলে রাখে দম্পতি। দুর্গন্ধের জন্য রুম ফ্রেশনার স্প্রে ব্যবহার করে। তৃতীয় দিন একটি সুটকেসে ভরে মৃতদেহ ফেলে দেয় রামা হাসপাতালের উলটো দিকে এনআইচ-৯ সংলগ্ন একটি নির্জন জায়গায়।
তিন মাস পর হাড়গোড় ভরা সেই সুটকেস উদ্ধার হয়। পুলিশ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক ভাবে খোঁজ মিলছিল না হত্যাকারীর। কিন্তু বিবেক বিহার থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি থেকে ধীরে ধীরে জট খুলতে শুরু করে। এক মহিলা পরিচারিক পুলিশকে জানান যে তিনি ওই খুনের সাক্ষী। অভিযুক্ত তাঁরও শ্লীলতাহানি করেছে। মুখ খুললে খুন করার হুমকি দিয়েছে। এরপরেই নির্যাতন এবং খুনে অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রীর হদিশ মেলে। তাঁদের গ্রেপ্তার করে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
সম্পত্তি হাতাতেই ‘খুন’ দেবস্মিতা, বর্ধমানে গ্রেপ্তার ভাড়াটে দম্পতি! দিল্লিতে অধ্যাপিকা খুনের কিনারা
-
মেসি কাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে পুলিশ, আরও বিপাকে প্রাক্তন মন্ত্রী
-
আপত্তি সত্ত্বেও শরীর প্রদর্শন! ‘মা সেটে থাকলে অন্যায় হত না’, ‘পেড্ডি’ বিতর্কে বিস্ফোরক জাহ্নবী
-
মাঝরাস্তায় খিদের টান! ৫ টাকা দিয়ে ‘মা আহারে’ মধ্যাহ্নভোজ সারলেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল
-
টুটু বোস স্মরণে রক্তদান শিবির, উত্তর কলকাতায় একমঞ্চে ভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষ