Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

রাজনৈতিক অবসরের পথে সুষমা, লড়বেন না উনিশের লোকসভা

কেন এমন সিদ্ধান্ত?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০১৮, ১৭:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০১৮, ১৭:৩০

options
link
রাজনৈতিক অবসরের পথে সুষমা, লড়বেন না উনিশের লোকসভা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তবে কি ভারতীয় রাজনীতিতে আরও একটি যুগের অবসান ঘটতে চলেছে? অন্তত তেমনটাই ইঙ্গিত দিলেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচনে আর লড়তে চান না তিনি, মধ্যপ্রদেশে সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দিলেন সুষমা। বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এমনিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলই নেবে, তবে আমি ঠিক করে নিয়েছি আগামী লোকসভায় আমি আর প্রার্থী হব না।”

 

[‘সবরীমালাকে অযোধ্যা হতে দেব না’, আরএসএস-বিজেপিকে হুঁশিয়ারি বিজয়নের]

গত বেশ কিছুদিন ধরেই কিডনির সমস্যায় ভুগছেন কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী। ডায়াবেটিসের সমস্যাও আঁকড়ে ধরেছে তাঁকে। আর এই ভগ্ন স্বাস্থ্যের কারণে গত প্রায় একবছর বিজেপির কোনও নির্বাচনী কার্যকলাপে দেখা যায়নি বিদেশমন্ত্রীকে। এমনকী, মন্ত্রকের কাজেও তাঁর বিরুদ্ধে ঢিলেমির অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির অভ্যন্তরেও সক্রিয় রাজনীতিতে সুষমার অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। গত একবছরে লোকসভার অধিবেশনেও নিয়মিত হাজির থাকতে পারেননি বিদেশমন্ত্রী। এমনকী তাঁর লোকসভা কেন্দ্র বিদিশাতেও দীর্ঘদিন পা রাখেননি সুষমা। তাঁর লোকসভা কেন্দ্রে সুষমা বিরোধী পোস্টারও পড়েছিল। তবে, তাঁর অনুস্থিতি নেহাতই ভগ্ন স্বাস্থ্যের জন্য। এদিন সেকথাই জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমার কিডনির সমস্যার জন্য একবছর আমি সেভাবে সক্রিয় থাকতে পারিনি। তবে এর জন্য আমাকে রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় বলার কোনও কারণ নেই, এভাবে সক্রিয়তা বিচার করা যায় না।”

[ফাঁস গোপন নথি, সুপ্রিম রোষে পিছোল সিবিআই মামলা]

আপাতত সুষমার বয়স ৬৬। বিজেপির নিয়ম অনুযায়ী ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত লোকসভায় টিকিট দেওয়া হয়। বর্ষীয়ান নেতাদের জন্য অবশ্য সেই নিয়মও শিথিল করা যায়। তবু সুষমার সরে দাঁড়ানোর পিছনে অনেকেই রাজনৈতিক অভিমানের তত্ত্ব দেখছেন। বিজেপিতে সুষমা আদবানি-পন্থী হিসেবেই পরিচিত। ২০১৪ সালে মোদির উত্থানের সঙ্গে সঙ্গেই দলে প্রভাব কমে তাঁর। তবে, রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘ লড়াইয়ের কৃতিত্ব স্বরুপ বিদেশমন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু বিরোধীদের অভিযোগ, সুষমা কার্যত নামেই বিদেশমন্ত্রী ছিলেন। কারণ, বিদেশী নেতাদের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা হোক, বা পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারণ, সবেতেই প্রাধান্য পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এমনকী, বিদেশমন্ত্রীর থেকে অনেক বেশি বিদেশ সফরও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে, সেসব বিতর্ক পিছনে ফেলে লোকসভার লড়াই থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন সুষমা। যদিও, বিজেপি সূত্রের খবর লোকসভায় না লড়লে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে সংসদে ফিরিয়ে আনা হতে পারে বর্ষীয়ান নেত্রীকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.