৩০ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: মানুষের সঙ্গে মিশে সকলকে কাজ করতে হবে। পা যেন মাটিতে থাকে। বাংলার নবনির্বাচিত ১৮ জন সাংসদকে এমনই পরামর্শ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। শনিবার দিল্লিতে বাংলার সাংসদদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) রামলাল, রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিবপ্রকাশ, অরবিন্দ মেনন। ছিলেন মুকুল রায়ও। সাংসদদের কীভাবে চলতে হবে, তাদের করনীয় এসব নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন কেন্দ্রীয় নেতারা। শনিবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে বিজেপির সংসদীয় দলনেতা ও এনডিএ-র নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর দল এবং জোটের সাংসদদের উদ্দেশে ভাষণ দেন মোদি। সূত্রের খবর, সেখানে বাংলার নবনির্বাচিত সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে দেখে প্রধানমন্ত্রী বাংলাতেই জিজ্ঞেস করেছেন ‘ভাল আছেন।’

বাংলার সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে নিজেদের লোকসভা কেন্দ্র নিয়েও বলেন নবনির্বাচিতরা। যিনি যে কেন্দ্র থেকে জিতে এসেছেন সেই কেন্দ্র সম্পর্কে শীর্ষ নেতৃত্বকে বলেন। বৈঠকে ১৮ জনই বলেন। এ রাজ্যের সাংসদদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বলেছেন, অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে থাকা কিন্তু বাকি সময়ে বাংলাতে পরে থাকতে হবে। সামনে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। নয়া সাংসদদের সংসদীয় বিষয়ে পাঠ দেওয়া হতে পারে। রবিবার এ রাজ্যের ১৮ জন সাংসদই সংসদ ভবনে প্রয়োজনীয় কাজকর্ম সেরেছেন। এদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বাংলা থেকে কারা কারা জায়গা পাচ্ছেন তা নিয়ে জল্পনা চলছেই। একাধিক নাম ভেসে আসছে। ২০২১ সাল পর্যন্ত দিলীপ ঘোষকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদেই রাখতে চায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। চাইছে আরএসএসও। দিলীপ ঘোষকে রাজ্য সভাপতি রেখেই ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটে লড়বে বিজেপি। সেক্ষেত্রে দিলীপ হয়তো মন্ত্রী নাও হতে পারেন। দুই মহিলা সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় ও দেবশ্রী চৌধুরির মধ্যে দুজনই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হবেন, নাকি যে কোনও একজনকে করা হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছে। উত্তরবঙ্গ থেকে তিনজনকে মন্ত্রী করা হতে পারে। জঙ্গলমহলের পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর থেকে দুজন মন্ত্রী হতে পারেন।

[আরও পড়ুন: ‘মুসলিমরা কি গরু?’ মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা মুকুলের]

দলীয় সূত্রে খবর, শপথ অনুষ্ঠান ৩০ মে। শপথ অনুষ্ঠান শেষ হলে রাজ্যে ফিরবেন সাংসদরা। তারপর জুনের প্রথম সপ্তাহে বাংলায় বিজয় উৎসব হওয়ার সম্ভাবনা। যদিও, বিভিন্ন জায়গায় বিজয় মিছিল করা হচ্ছে। রবিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির বিজয় মিছিল হয়েছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং