হেমন্ত মৈথিল, লখনউ: মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশে বিপুল কর্মসংস্থান। গত কয়েক বছরে ঘুচল বেকারত্বের সমস্যা । রাজ্য সরকারের শক্তিশালী নীতি রাজ্যের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থানকে উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
সবচেয়ে বড় সাফল্য হল বেকারত্বের সমাধান। একসময় বেকারত্বের হার এই রাজ্যে ১৯ শতাংশে পৌঁছেছিল। এখন তা কমে মাত্র ২.৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এটি নীতিভিত্তিক উন্নয়ন মডেলের বড় সাফল্য।
GCC নীতি ২০২৫-এর মাধ্যমে ২ লাখেরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। ইউপি এমপ্লয়মেন্ট মিশন মাত্র এক বছরে ১.২৫ লাখ মানুষকে চাকরি যুগিয়েছে। MSME খাত রাজ্যের অর্থনীতির প্রধান মেরুদণ্ড। বর্তমানে ৯৬ লাখেরও বেশি MSME ইউনিট চালু রয়েছে। এই খাত এপর্যন্ত ২ কোটিরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। শুধু গত এক বছরেই এই ক্ষেত্র ১৮ লাখ মানুষকে নতুন চাকরি দিয়েছে। স্কিল ডেভলপমেন্ট মিশন ১.৪ মিলিয়ন যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এদের মধ্যে ৫ লাখ ৬৬ হাজার ছেলেমেয়ে সরাসরি চাকরি পেয়েছেন। চাকরির বাজারে মেয়েরাও পিছিয়ে নেই যোগীরাজ্যে। শিল্পক্ষেত্রে মহিলাদের অংশগ্রহণ ২৫ শতাংশে পৌঁছেছে।
‘রোজগার মহাকুম্ভ ২০২৫’ ও বিভিন্ন আর্থিক স্কিম শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। গ্রামীণ অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এই প্রয়াসগুলি নজিরবিহীন। উত্তরপ্রদেশ ২০৪৭ সালের মধ্যে নিজেকে উন্নত রাজ্য হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
সর্বশেষ খবর
-
ব্রাজিল ম্যাচের আগেই পানামার বিরুদ্ধে নামবে ভারত, দিনক্ষণ জানিয়ে দিল ফেডারেশন
-
ঠিকভাবে উল্লেখ নেই রাস্তার নাম! কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড বিন্যাস নিয়ে ৭ দফা আপত্তি সিপিএমের
-
হাসপাতালে থাকতে নারাজ বিমান বসু, ফিরতে চাইছেন কলকাতায়! কবে ছুটি?
-
দার্জিলিঙে রোপওয়ে, সুন্দরবনে প্রমোদতরী! পর্যটনকে ঢেলে সাজাতে মাস্টার প্ল্যান রাজ্যের
-
আচমকা মস্কোয় অবতরণ করল মার্কিন সেনার বিমান! ঘনাচ্ছে রহস্য, কী বলল ক্রেমলিন?