অর্ণব আইচ: নারী ও শিশু পাচারচক্রের (Trafficking) তদন্তে নেমে কল্যাণী (Kalyani) থেকে দু’জনকে গ্রেপ্তার করল লালবাজার। মোবাইল সূত্র ধরে তাঁদের সন্ধান পান গোয়েন্দারা। সেই সূত্রে ধরেই কল্যাণী আইটিআই মোড়ে একটি কাফেতে অভিযান চালান তদন্তকারীরা। তাঁদের কলকাতা নিয়ে আসা হয়েছে। ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত তা জানার চেষ্টা করেছে পুলিশ।
ধৃতদের নাম সাথী বিশ্বাস ওরফে টিনা ও তন্ময় দাস। সাথী নদিয়ার কল্যাণীর বাসিন্দা। অন্য ধৃত তন্ময় দাস মধ্য কলকাতার মুচিপাড়ার রমাকান্ত মিস্ত্রি লেনের বাসিন্দা। এই মামলায় সঙ্গীরা গ্রেপ্তার হওয়ার পর দু’জনই গা ঢাকা দেন নদিয়ায়। তাঁরা বাইরে আসতেই সূত্র মারফত খবর পায় পুলিশ। অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে লালবাজারের গোয়েন্দারা উত্তর কলকাতার বড়তলা এলাকার যৌনপল্লিতে তল্লাশি চালান। তল্লাশিতে ন’জন নাবালিকা ও দু’জন সাবালিকাকে উদ্ধার করে পুলিশ। বাড়ির মালকিন-সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে শিশু ও নারী পাচারের সঙ্গে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগ ওঠে। ৬ জনকে গ্রেপ্তার করার পর পুলিশ জানতে পারে যে, তাদের মধ্যে ছিল দালালরাও। বিভিন্ন জেলা থেকে কাজের টোপ দিয়ে ওই নাবালিকা ও তরুণীদের বিক্রি করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাদের জেরা করে জানা যায়, এই নারী পাচারচক্রে রয়েছে আরও এক যুগল। তারপরই পুলিশ খোঁজ পায় টিনা ও তন্ময়ের। এতদিন তাঁদের খোঁজে ছিল পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
ট্রায়ালে সৌরভ-যুবি, হাল ফেরাতে দুই কিংবদন্তিকে কোচ করছে দিল্লি ক্যাপিটালস?
-
‘ও বেঁচে আছে’, রোগী মৃত্যুর পরেই রণক্ষেত্র রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতাল
-
ব্রিটেনের বুকে যেন এক টুকরো ‘বাংলা’, লন্ডনে বাঙালি সংস্কৃতি রক্ষায় অগ্রণী সাটন বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন
-
সিঙ্গুরে শিল্প এত সহজ নয়! মমতা জমানার ‘খানাখন্দ’ পেরিয়েও শিল্পে ডবল ইঞ্জিন, নকশা বাতলালেন তাপস
-
হালিশহরে মমতার হেনস্তায় ‘ক্ষুব্ধ’ শমীক, ‘১৫ বছরে কম অত্যাচার করেননি’, তোপ অগ্নিমিত্রার