রাজ্যে পালাবদলের পরই ভেঙে চুরমার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস। জোড়াফুল প্রতীক ও দলের ফান্ড কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে টানাপোড়েন। সোমবার বাংলার দুই বিধানসভা আসন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচনের (West Bengal By Election) দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই সে প্রতীক সংঘাত অন্যমাত্রা পেল। কারণ, মমতাপন্থী ও ঋতব্রতপন্থী-উভয় তৃণমূলই উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত। এবার প্রশ্ন হল, কে লড়তে পারবেন জোড়াফুল প্রতীকে। যদিও গোটাটাই এখন নির্ভর করছে নির্বাচন কমিশনের উপর।
আইন অনুযায়ী কোনও দল টুকরো হয়ে গেলে কোন অংশটি দলের স্বীকৃত নাম ও সংরক্ষিত প্রতীক ব্যবহারের অধিকারী হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। ফলে প্রতীক নিয়ে দড়ি টানাটানিতে কে জিতবে? তা পুরোপুরি নির্ভর করছে কমিশনের উপর।
আরও পড়ুন:
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। ৩৪ বছরের বাম শাসনের পতন হয়েছিল তাঁর হাতেই। কিন্তু নিজে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ১ মাসও দল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। তৃণমূলের টিকিটে জেতা বিধায়করাই একে একে মমতার পাশ থেকে সরেছেন। তাঁদের ‘আসল তৃণমূলে’র নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে লোকসভার সাংসদদের একটা বড় অংশ মমতাকে ছেড়ে এনডিএকে সমর্থন করতে একটি অচেনা দলের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। যদিও তা নিয়ে এখনও জটিলতা জারি। তবে বিধানসভার ক্ষেত্রে আপাতত বিরোধীদের আসনে ঋতপন্থীরাই। ঋতব্রতকেই আপাতত বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই দলনেত্রীকে একেবারে কোনঠাসা করার পর এবার প্রতীক নিজেদের হাতে নেওয়ার ‘খেলা’য় ‘আসল তৃণমূল’। উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হতেই সেই প্রতীকের লড়াই আরও স্পষ্ট। কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় দু’পক্ষই।
এ প্রসঙ্গে ‘আসল তৃণমূলে’র তরফে বিধায়ক সন্দীপন সাহা বলেন, “আমরা নথি দিয়েছি। তাতে আমরা নিশ্চিত প্রতীক আমরাই পাব। আমাদের প্রার্থী জোড়াফুল প্রতীকেই লড়ব। প্রার্থী বাছাই শুরু হয়ে গিয়েছে।” মমতাপন্থী বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই দল মমতা সৃষ্টি করেছেন। তিনবার ক্ষমতায় এসেছে। এই প্রতীক মমতারই।” অর্থাৎ দু’দলই জোড়াফুল প্রতীকে লড়তে মানসিকভাবে প্রস্তুত। উল্লেখ্য, আইন অনুযায়ী কোনও দল টুকরো হয়ে গেলে কোন অংশটি দলের স্বীকৃত নাম ও সংরক্ষিত প্রতীক ব্যবহারের অধিকারী হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। ফলে প্রতীক নিয়ে দড়ি টানাটানিতে কে জিতবে? তা পুরোপুরি নির্ভর করছে কমিশনের উপর।
সর্বশেষ খবর
-
নজরে উপনির্বাচন! রেজিনগর-নন্দীগ্রামে প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের
-
আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বারাকপুরে বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে রেইকি ৩ যুবকের! পুলিশের জালে ১
-
রাজ্যজুড়ে সক্রিয় ভুয়ো চিকিৎসক চক্র! ২ চিকিৎসককে কাঠগড়ায় তুলে স্বাস্থ্যদপ্তরে চিঠি
-
পার্টিতে মদ্যপানের প্ল্যান? আগে খেয়ে নিন এই খাবারগুলি, হ্যাংওভার সামলানো হবে সহজ
-
কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গেরুয়া ছোঁয়া, দায়িত্বে মিঠুন-প্রসেনজিৎ, কবে উদ্বোধন?