Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee

ভোটে তৃণমূলের নয়া অস্ত্র CAA, তফসিলিদের বোঝাতে নতুন কর্মসূচি চালু অভিষেকের

নজরুল মঞ্চের বৈঠক থেকে 'তফসিলি সংলাপ' নামে প্রচার কর্মসূচির সূচনা করলেন অভিষেক, যার মূল লক্ষ্য, তফসিলি অধ্যুষিত এলাকায় CAA নিয়ে লাগাতার বিজেপি বিরোধী প্রচার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৪, ১৭:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৪, ১৭:৩৮

options
link
ভোটে তৃণমূলের নয়া অস্ত্র CAA, তফসিলিদের বোঝাতে নতুন কর্মসূচি চালু অভিষেকের zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: লোকসভা ভোটের (2024 Lok Sabha Election) আগে কেন্দ্রের CAA বিজ্ঞপ্তি তৃণমূলের নতুন বিজেপি বিরোধী হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। তফসিলি জাতি-উপজাতি অধ্যুষিত এলাকার মানুষজনকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের ‘বিপদ’ বোঝাতে সক্ষম হলেই বাংলায় ফের বিজেপির (BJP) মুখ থুবড়ে পড়া নিশ্চিত বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। আর মঙ্গলবার সেই লক্ষ্যেই রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা এলাকা থেকে ১৫ জন করে তফসিলি জাতি-উপজাতিভুক্ত ব্লক নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে দিকনির্দেশ ঠিক করে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এদিন নজরুল মঞ্চে ‘তফসিলি সংলাপ’ নামে প্রচার কর্মসূচির সূচনা করলেন তিনি। যার মূল লক্ষ্য, তফসিলি অধ্যুষিত এলাকায় CAA নিয়ে লাগাতার বিজেপি বিরোধী প্রচার।

নজরুল মঞ্চের বৈঠকে প্রথমে সকলকে এভাবে প্রণাম জানালেন অভিষেক। নিজস্ব চিত্র।

এবারের লোকসভার লড়াইয়ে তৃণমূল (TMC) মোট ১৫ জন তফসিলি জাতি-উপজাতি ও অনগ্রসর শ্রেণি সম্প্রদায়ভুক্ত প্রতিনিধিকে এগিয়ে দিয়েছে। তাঁদের হয়ে কীভাবে প্রচার করতে হবে, কোন ইস্যুতে সামনে নিয়ে আসতে হবে, সেসব রণকৌশল ঠিক করতে এদিন নজরুল মঞ্চে বৈঠক করেন অভিষেক। বিজেপি বিরোধী একাধিক ইস্যু তুলে ধরে কীভাবে ওই সব এলাকায় প্রচার চলবে, তা নিয়ে রীতিমতো ক্লাস করানো হয় ব্লক নেতাদের। উত্তরের চা বলয় থেকে জঙ্গলমহল এলাকা কোথাও গত ৫ বছরে বিজেপি যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার কিছুই রাখেনি, এমনকী খোঁজখবরও নেয়নি – এই বিষয়গুলি নিয়েই প্রচার চালানোর কথা বলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সরব হওয়ার কথা বলা হয়েছে। ১০০ দিনের টাকার জন্য এত আন্দোলন করেও যে তা পাওয়া যায়নি, তা বাংলার প্রতি বিজেপির ‘অত্যাচার’সম। এলাকাবাসীর কাছে এসব ইস্যুকে তুলে ধরতে হবে ভোটের প্রচারে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: CAA চালু হতেই অসমে বিক্ষোভের আগুন, হিমন্ত বললেন,’আমি ইস্তফা দেব যদি…’]

এদিন কেন্দ্রের তরফে জারি করা CAA বিজ্ঞপ্তি হাতে নিয়ে অভিষেক বলেন, ২০১৯ সালে প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। বাকি কাজ করতে বড়জোড় দেড় মাস লাগার কথা। কিন্তু তারা ৪ বছর কাটিয়ে দিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরেই অভিষেক বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে কোনও স্বচ্ছতা নেই। এ প্রসঙ্গে অভিষেকের ব্যাখ্যা, ”ধরুন, আমরা ভোটের ৭ দিন আগে আপনাদের ফর্ম দিয়ে বললাম তা পূরণ করতে, ভোটের পর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হবে, তাহলে? কিন্তু আমরা এরকম নই। বিজেপির মতো নই। আমরা যা বলি, সেই কথা রাখি।” সবমিলিয়ে, CAA ইস্যুকে হাতিয়ার তফসিলি জাতি-উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় তৃণমূলের লড়াইয়ে ঝাঁপানোর রণকৌশল ঠিক করে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

[আরও পড়ুন: CAA চালু হতেই শুভেন্দুর মুখে মতুয়াদের ‘হরি বোল’, ধরনার হুঁশিয়ারি মমতাবালার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.