স্টাফ রিপোর্টার: দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসছেন গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান করার জন্য। তাঁদের অনেকেই বাবুঘাটে অস্থায়ী আস্তানাতে রয়েছেন। তাঁদের যাতে কোনও ধরনের অসুবিধা না হয় তার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার। পানীয় জল থেকে খাবারের বন্দোবস্ত। গড়ে উঠেছে মিনি হাসপাতাল।
সরকারি, বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিদিন স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছে ভিনরাজ্য থেকে আসা মানুষদের। এমনকী জরুরি ভিত্তিতে ২৪ ঘণ্টার জন্য অ্যাম্বুল্যান্সও রাখা রয়েছে পুণ্যার্থীদের জন্য। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর খুলেছে একটি ‘মিনি হাসপাতাল’। ৯ জানুয়ারি থেকে এই হাসপাতাল নিরলসভাবে পরিষেবা দিয়ে চলেছে। সেখানে নার্স, ডাক্তাররা কর্মরত অবস্থায় রয়েছেন। এই হাসপাতাল ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকছে। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ডিউটিতে নার্সও থাকছেন ২৪ ঘণ্টা। বেশকিছু জীবনদায়ী ওষুষ ছাড়াও প্যারাসিটামল, ব্যথার ওষুধ, প্যান- ডি’র মতো গ্যাস-অম্বলের ওষুধ মজুত এই সরকারি স্বাস্থ্য ক্যাম্পে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডাক্তার জানালেন, “উত্তর প্রদেশ থেকে আসা একজন মহিলা এখানে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা করে এন আর এস হাসপাতালে পাঠাতে হয়েছে। তিনি এতটাই অসুস্থ ছিলেন যে তাঁকে হাসপাতালে পাঠাতে আমরা বাধ্য হয়েছি।” অর্থাৎ, অস্থায়ী ক্যাম্প অফিস থেকে ‘রেফার’ কেসও গেছে। গঙ্গাসাগরে স্নান করার জন্য ঝাঁসি থেকে স্বামীর সঙ্গে এসেছেন হেমলতা দেবী। রাতে জ্বর এসেছিল। তিনিও ক্যাম্প থেকে ওষুধ নিয়েছেন। তবে সরকারি স্বাস্থ্য শিবির ছাড়াও বেশ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে ক্যাম্প করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে