Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

গলায় কয়েন আটকে প্রাণসংশয়, দুধের শিশুকে ফেরাল চার-চারটি হাসপাতাল

শেষপর্যন্ত ভরতি নেওয়া হয় এসএসকেএম-এ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৮, ১৬:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৮, ১৬:১১

options
link
গলায় কয়েন আটকে প্রাণসংশয়, দুধের শিশুকে ফেরাল চার-চারটি হাসপাতাল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খেলতে গিয়ে ১ টাকার কয়েন গিলে ফেলেছিল বছর চারেকের একটি শিশু। কয়েনটি আটকে গিয়েছিল গলায়। ওই অবস্থায় শিশুটিকে নিয়ে চার-চারটি হাসপাতালে ঘুরতে হল পরিবারে লোকেদের! কোথাও ভরতি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। শেষপর্যন্ত শনিবার গভীর রাতে শিশুটিকে ভরতি নেওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করে গলা থেকে কয়েনটি বের করেছেন চিকিৎসকরা। এসএসকেএম হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুটির শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। বিপদ্মুক্ত সে।

ওই শিশুটির বাড়ির নদিয়ার রানাঘাটের গাংনাপুরে। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরে বাড়িতে খেলা করছিল সে। তখনই ঘটে বিপত্তি। এক টাকার একটি ছোট কয়েন তার মুখের ভিতর চলে যায়। কয়েনটি আটকে যায় গলায়। তড়িঘড়ি শিশুটিকে নিয়ে প্রথম গাংনাপুরে হাসপাতালে নিয়ে যান পরিবারের লোকেরা। পরিবারের লোকেদের দাবি, তাকে ভরতি নিতে চাননি চিকিৎসকরা। উলটে পাঠিয়ে দেওয়া হয় রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে। কিন্তু সেখানেও শিশুটিকে ভরতি করতে পারেননি পরিবারের লোকেরা। এদিকে ততক্ষণে দুধের শিশুটির শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। শেষপর্যন্ত কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে যান পরিবারের লোকেরা। সেখান থেকেও ফিরিয়ে দেওয়া হয় অভিযোগ। এরপর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাননি পরিবারে লোকেরা। শিশুটিকে নিয়ে সোজা কলকাতায় চলে আসেন।

Advertisement

আশা ছিল, কলকাতার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাবে শিশুটি। কিন্তু কোথাও কী! পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, তাঁরা প্রথমে এআরএস ও তারপর মেডিক্যাল কলেজে। কিন্তু চিকিৎসক না থাকার দুটি হাসপাতাল থেকে শিশুটিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। শিশুটি যখন এসএসকেএম হাসরপাতালে আনা হয়, তখন রাত দুটো। গলার কয়েন আটকে যাওয়ার পর পেরিয়ে গিয়েছে ১৫ ঘণ্টা। প্রায় নিস্তেজ হয়ে পড়েছে শিশুটি। এই পরিস্থিতিতে একপ্রকার চাপে পড়েই তাকে ভরতি নেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রাতে অস্ত্রোপচার করে গলা থেকে কয়েনটি বের করেন চিকিৎসকরা। এখন শিশুটির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সে বিপদ্মুক্ত বলে জানা গিয়েছে।

[ শিক্ষকের চাকরি প্রত্যাখ্যান বহু প্রার্থীর, কারণটা কী?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.