সংবাদ প্র্তিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হু হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এমন কঠিন সময় স্বস্তির খবর দিল যাদবপুরের কেপিসি হাসপাতাল। শনিবার সেখান থেকে ছাড়া পেলেন কলকাতা পুলিশের ৪০ কর্মী। করোনায় আক্রান্ত হয়ে তাঁরা হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। এদিন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেলেন তাঁরা। তবে ১৪ দিন বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে তাঁদের। পুলিশ কর্মীদের দ্রুত সারিয়ে তুলতে পেরে স্বস্তিতে ডাক্তার থেকে নার্স-সকলেই।
করোনার বিরুদ্ধে লড়ছেন দেশের করোনা যোদ্ধারা। তাঁদের মধ্য অন্যতম পুলিশ কর্মীরা। সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন তাঁরাও। সূত্রের খবর, কলকাতা পুলিশের প্রায় ২৫০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৬০ জন যাদবপুরের কোভিড হাসপাতালে রূপান্তরিত হওয়া কেপিসি হাসপাতালে ভরতি ছিলেন। এঁদের মধ্যে ৪০ জনের এদিন ছুটি হয়ে গেল। এঁরা প্রত্যেকেই পিটিএসে কর্মরত। প্রত্যেকেই সুস্থ আছেন বলে খবর। দ্রুত কাজে যোগ দিতে পারবেন বলেও খবর। তবে আগামী ১৪ দিন তাঁদের বিশ্রাম নিতে বলা হয়েছে।

[আরও পড়ুন :আনলক ওয়ানে যাত্রী ভোগান্তি কমাতে কলকাতায় ট্রাম চালানোর ভাবনা, কবে থেকে মিলবে পরিষেবা?]

শনিবার বেলায় হাসপাতাল থেকে বেরানোর সময় ফুল ছুঁড়ে প্রত্যেক করোনাজয়ীকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। বাজানো হয় শাঁখও। একসঙ্গে ৪০ পুলিশকর্মীর সুস্থ হয়ে ছাড়া পাওয়া প্রসঙ্গে কেপিসি হাসপাতালের তরফে জয়দীপ মিত্র জানান, “দক্ষিণ ২৪ পরগণা-সহ একাধিক জেলার করোনা আক্রান্ত রোগীরা এই হাসপাতালে ভরতি হয়েছেন। তাঁদের সুস্থ করে বাড়ি পাঠাতে পারলে আনন্দ অনুভব করি। আজ একসঙ্গে এথজন পুলিশকর্মী সুস্থ করে বাড়ি পাঠাতে পেরে গর্বিত। ওঁরা সুস্থ থাকুন, এটাই কাম্য।”

[আরও পড়ুন : ‘বাংলার সরকারকে কলুষিত করছেন’, গড়িয়া শ্মশান ইস্যুতে ধনকড়কে পালটা জবাব স্বরাষ্ট্রদপ্তরের]
সর্বশেষ খবর
-
এশিয়াডের আগে সাসপেন্ড টেবিল টেনিস ফেডারেশন, অন্ধকারে খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ
-
৪৭৫ কিমি পেরিয়ে ‘গেমতুতো’ বন্ধুদের দেখতে এসে বিপদ! গঙ্গারামপুরে লজে পাকড়াও ৩ নাবালক
-
৮০০০-এর পাস্তা, ১০ হাজারি মাছের ডিশ! সলমনের বোনের রেস্তরাঁর মেনু দেখে চোখ কপালে নেটপাড়ার
-
প্রেমিকার স্বামীকে পরপর ধারালো অস্ত্রের কোপ! যুবকের মৃত্যুতে চাঞ্চল্য নদিয়ায়
-
বালোচিস্তান, কেপি থেকে পিওকে, ৪ ফ্রন্টে জ্বলছে জিন্নার ‘লঙ্কা’, বদলে যাবে পাকিস্তানের মানচিত্র?