২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কলকাতায় উপসর্গহীন করোনা রোগীর সংখ্যা প্রায় ৭০ শতাংশ, দাবি কলকাতা পুরসভার

Published by: Sulaya Singha |    Posted: August 3, 2020 9:17 pm|    Updated: August 3, 2020 9:17 pm

An Images

ফাইল ফটো

কৃষ্ণকুমার দাস: মহানগরে করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত রোগীর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ এখন উপসর্গহীন বলে জানিয়ে দিল কলকাতা পুরসভা। এমনকী অ্যান্টিজেন টেস্টে যাঁদের নেগেটিভ আসছে তাঁদেরও আরটিপিসিআর পরীক্ষা করা হলে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন পুরসভার স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশাসক অতীন ঘোষ।

শহরে গত কয়েকদিনে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি নিয়ে সোমবার স্বাস্থ্য প্রশাসকের দাবি, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আগের চেয়ে কলকাতায় এখন অনেক বেশি সংখ্যায় কোভিডের পরীক্ষা হচ্ছে। যাঁদের শরীরে অন্যান্য অসুস্থতা বেশি আছে, তাঁদেরই কো-মর্বিডিটির কারণে মৃত্যু মাঝে মধ্যে বাড়ছে। নয়তো শহরের করোনা পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল।” কিন্তু কলকাতায় উপসর্গহীনদের বৃদ্ধির খবরে করোনা আক্রান্তরা শহরের পক্ষে স্বস্তিদায়ক বলে দাবি পুরসভার। ইতিমধ্যে স্বয়ং পুরমন্ত্রীর ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় মাত্র ১০০ জনের মধ্যে ১৯ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছিল। এই ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জনই ছিলেন উপসর্গহীন।

[আরও পড়ুন: সংক্রমণ বাড়লেও স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার, রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় করোনাজয়ী প্রায় ২১০০]

স্বাস্থ্যদপ্তরের তথ্য, উত্তর কলকাতার চেয়ে দক্ষিণ কলকাতায় অনেক বেশি সংখ্যায় উপসর্গহীন করোনা রোগীর সন্ধান মিলছে। বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘুরে আসার পর তথ্য মিলছে। অনেকে বাড়িতে জ্বর-সর্দি-কাশির মতো করোনার মৃদু্ উপসর্গ হলে পরীক্ষাও করাচ্ছেন না। অন্য সংক্রমিতের প্রেসক্রিপশন দেখেই ওষুধ খেয়ে বাড়িতে বিশ্রাম নিয়ে নিঃশব্দে সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে পুরসভার স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি।

উপসর্গহীনদের নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতীনবাবু বলেন, “মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রতিদিনই অ্যান্টিজেন টেস্ট ক্যাম্প হচ্ছে। পুরসভার অ্যাম্বুল্যান্সে মোবাইল ভ্যানও লালারস সংগ্রহ করে পিজি হাসপাতালে দিচ্ছে। সব মিলিয়ে যা তথ্য, তাতে শহরে করোনা আক্রান্তের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই উপসর্গহীন। এতে অবশ্য শহরবাসীর লাভ হচ্ছে, ভাইরাসের বিরুদ্ধে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হচ্ছে।”

[আরও পড়ুন: ফের বদলে গেল রাজ্যে পূর্ণ লকডাউনের দিন, জেনে নিন নতুন তারিখগুলি]

দিন কয়েক আগেই পুরসভার কোভিড কমিটির উপদেষ্টা ডাঃ শান্তনু সেন দাবি করেছিলেন, উপসর্গহীনরা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৫ আগস্টের পর শহরে করোনা সংক্রমণ কমবে। এদিনও দক্ষিণ কলকাতায় ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডে জিডি বিড়লা স্কুলের কাছে আরটিপিসিআর (RTPCR) পদ্ধতি মেনে ১১০ জনের কাছ থেকে ১০ নম্বর বরোর তরফে লালারস সংগ্রহ করা হয়। ইতিমধ্যে এই ওয়ার্ডে ১৫৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বরো চেয়ারম্যান তপন দাশগুপ্ত জানান, মূলত বসতিবাসীদের এই পরীক্ষা করানো হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement