BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

একসপ্তাহে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এলাকার দু’জনের মৃত্যু, মন্ত্রী সাধন পাণ্ডেকে কাঠগড়ায় তুললেন কাউন্সিলর

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: August 14, 2020 9:34 pm|    Updated: August 14, 2020 11:41 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৭ দিনের ব্যবধানে একই জায়গায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দু’জনের মৃত্যুর ঘটনার উত্তপ্ত মুচিবাজারের ইস্ট ক্যানাল। স্থানীয়দের বিক্ষোভে শুক্রবার সকাল থেকে সরগরম এলাকা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর গোটা ঘটনার দায় চাপালেন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের (Sadhan Pande) ঘাড়ে। যার জেরে প্রবল অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে সাহেববাগান এলাকায় ট্যাঙ্ক থেকে জল আনতে গিয়েছিলেন এলাকার বাসিন্দা বছর পঁয়তাল্লিশের পুষ্প বর্মা। সেই সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ঠিক ৭ দিন আগে একই জায়গায় একইভাবে মৃত্যু হয়েছিল আরেকজনের। স্বাভাবিকভাবেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেন স্থানীয়রা। তাঁরা জানান, এলাকায় একটি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে রয়েছে। তার ঝুলছে। ফলে প্রতিমুহূর্তে বিপদের আশঙ্কা। অভিযোগ, একাধিকবার এবিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর অমল চক্রবর্তীকে জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি। ফলে বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনায় সম্পূর্ণ ক্ষোভ গিয়ে পড়ে কাউন্সিলরের উপর।

[আরও পড়ুন: ‘অনুব্রত মাফিয়া, বোমের রাজনীতি করেন’, বর্ধমান থেকে তোপ রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের]

শুক্রবার সকাল থেকে মুচিবাজার এলাকায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। কাউন্সিলরের বাড়িতেও চড়াও হয় উত্তেজিত জনতা। চলে ভাঙচুর। সেই সময়ই নিজের হয়ে সাফাই দিতে গিয়ে সাধন পাণ্ডেকে কাঠগড়ায় তোলেন ওই কাউন্সিলর। তিনি বলেন, “মন্ত্রীর লোকজন বিজেপির লোক সঙ্গে নিয়ে আমার বাড়িতে ভাঙচুর ও রাস্তা অবরোধ করেছে। আমার বাড়ির সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে কারা ভাঙচুর করেছে।” যদিও কাউন্সিলরের মন্তব্যকে খুব একটা গুরুত্ব দেননি মন্ত্রী। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের কথায়, তৃণমূল বিধায়ক তথা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের গোষ্ঠীর সঙ্গে কাউন্সিলর অমল চক্রবর্তীর গোষ্ঠীর সংঘর্ষে এলাকায় অশান্তি হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: অনাদরে জলের নিচে শহিদবেদী! স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দাসপুরে অবহেলার নিদর্শন]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement