আরও বিপাকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এবার ত্রিপুরার খোয়াই আদালত থেকে অভিষেককে সশরীরে হাজিরার সমন। এই সমন আলিপুর আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের তরফে জানানো হয়, ওই নোটিসটি অভিষেকের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। নইলে তাঁর বাড়ির দরজা নোটিস লাগিয়ে দিয়ে আসতে হবে। আদালতের নির্দেশমতো এদিন পুলিশ পৌঁছয় হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটের বাড়িতে। অভিষেক বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। তাঁর পরিবর্তে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ নোটিসটি গ্রহণ করেন।
এই বিষয়ে আরও খবর
গত ২০২১ সালে আগস্টের গোড়ার দিকে দলীয় এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ত্রিপুরায় তৃণমূলের যুবনেতৃত্বকে রাস্তায় আটকানো হয়। সেখানে দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা ও জয়া দত্তদের উপর হামলা চলে বলে অভিযোগ। মাথা ফেটে যায় সুদীপ রাহার, কানে আঘাত পান জয়া দত্ত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত গোটা ত্রিপুরা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এরপরই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হলে খোয়াই থানায় অবস্থানে বসেন অভিষেক, কুণাল ঘোষরা। ধৃতদের মুক্তির দাবি তোলেন। কিন্তু জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হওয়ায় ধৃত নেতাদের তোলা হয় আদালতে। সেই সময়ও থানাতেই বসেছিলেন অভিষেক। সেখান থেকেই নজর রাখছিলেন পরিস্থিতির উপর। দলের নেতারা জামিন পাওয়ার পর ক্ষোভ উগড়ে দেন ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। একইভাবে জয়া দত্ত, দেবাংশু ভট্টাচার্যও ত্রিপুরা সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এভাবে তাঁদের রোখা যাবে না। সেদিন থানায় তৃণমূলের অবস্থানের জেরেই মামলা রুজু করে ত্রিপুরা পুলিশ। ওই মামলাতেই এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠাল খোয়াই আদালত।
উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ভুরি ভুরি। ফলে দীর্ঘদিন ইডি-সিবিআইয়ের স্ক্যানারে তিনি। তবে তৃণমূলের এই ভাঙনের মরশুমে তাঁর অস্বস্তি বাড়িয়েছে সই জাল কাণ্ড। পরপর তিনবার সিআইডি হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার বিকেল ৫ টায় তৃতীয় সমনের ডেডলাইন ছিল। তা সত্ত্বেও গত শনিবার দিল্লিতে উড়ে যান অভিষেক। কারণ, ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক। সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দিল্লিতে তৃণমূল এবং কংগ্রেসের সংযুক্তিকরণ নিয়েও দুই দলের শীর্ষস্তরে আলোচনাও হয় বলেই খবর। আর এই দিল্লিতে থাকাকে হাতিয়ার করে তৃতীয়বার সিআইডি হাজিরা এড়িয়ে যান অভিষেক। এরপরই তদন্তকারী সংস্থার তরফে যোগাযোগ করা হয় দমদম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। খোঁজ নেওয়া হয় তাঁর গতিবিধির। ফলে কলকাতায় নামলেই তাঁর গ্রেপ্তারির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
বেসরকারি স্কুলের সিকরুমে কন্ডোম! উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, কাঁচরাপাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য
-
আইএসএল জয় উদযাপন, শহরে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ইস্টবেঙ্গল উত্তরাধিকার’ সমষ্টির
-
বাড়ির আইনি দখল নিতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ, হাসপাতালে তালতলার এস আই
-
‘মহান প্রধানমন্ত্রী, জ্ঞানী ব্যক্তি’, ‘দীর্ঘতম’ সময়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ‘বন্ধু’ মোদিকে শুভেচ্ছা ট্রাম্পের
-
বন্ধ ‘থ্রেট কালচার’, অভয়া কাণ্ডে যুক্তদের সাজা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে আর কী অঙ্গীকার শারদ্বতের?



