Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee

বড় সিদ্ধান্ত, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

সর্বভারতীয় মহিলা তৃণমূলের সভাপতি হলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২১, ১৬:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২১, ১৬:২৮

options
link
বড় সিদ্ধান্ত, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তৃণমূলে বড় দায়িত্ব পেতে চলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে জল্পনা আগেই শুরু হয়েছিল। শনিবার তৃণমূলের দলীয় বৈঠকের পর তাতেই সিলমোহর পড়ল। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অর্থাৎ মুকুল রায় এককালে যে পদে আসিন ছিলেন, সেই আসনই পেলেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)।

রাজ্যের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে এদিন বৈঠকে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানেই একাধিক বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।  ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতি মেনে যুব তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে প্রথমে ইস্তফা দেন অভিষেক। তাঁর পদে আসেন অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। আসানসোল দক্ষিণের প্রার্থী হিসেবে বিধানসভা নির্বাচনে জিততে না পারলেও রাজনীতিতে পা রেখেই নজর কেড়েছিলেন তিনি। সেই ভাল কাজেরই স্বীকৃতি পেলেন টলি-অভিনেত্রী। এরপরই জানা যায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হল অভিষেককে। ২০২৪ সালের লোকসভা  নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই অভিষেককে দলের বড়সড় দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘কেউ ভুল করলে ক্ষমা করা উচিত’, দলত্যাগীদের ফেরানো নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ফিরহাদের]

একুশের নির্বাচনী প্রচার থেকেই ফ্রন্ট লাইনে দেখা গিয়েছে অভিষেককে। দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করতে, প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে কোনও ঘাটতি রাখেননি তিনি। পাহাড়প্রমাণ দায়িত্ব নিয়ে একাধিক জেলায় তৃণমূলকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাইয়েছেন। অথচ নির্বাচনী লড়াইয়ে জিততে কেন্দ্রের নেতা-মন্ত্রীরা তাঁকেই বারবার নিশানা করেছেন। ‘তোলাবাজ ভাইপো’ বলে তোপ দেগেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, প্রত্যেকেই। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র বাক্যবাণকে উপেক্ষা করে একুশের ভোটে নিজের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রাণ দিয়েছেন অভিষেক। মুখ্য়মন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কেও দেখা গিয়েছিল তাঁর সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলতে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ দাবি করেছিল, কেন্দ্রীয় নেতা-মন্ত্রীদের মুখে বারবার অভিষেকের নামই যেন স্পষ্ট করে দিয়েছিল তৃণমূলের তরুণ নেতার উত্থান। আর সম্প্রতি যশ বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে বেরিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের আদর্শ জননেতার পরিচয় দেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং #PaseAcheAbhishek-ই প্রমাণ করে দিয়েছে তাঁর আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা। ২০২৪-এর লড়াইয়ের জন্য যে শক্তহাতেই ঘর গোছালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তা বলাই বাহুল্য। 

এদিকে সর্বভারতীয় মহিলা তৃণমূলের সভাপতি হলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এদিনের বৈঠকে পরিচালক তথা বারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে তৃণমূলের কালচারাল প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দেওয়া হল। 

[আরও পড়ুন: যুব তৃণমূল সভাপতির পদে ইস্তফা অভিষেকের, পরিবর্তে এলেন সায়নী ঘোষ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.