Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

অর্চনা পালংদার খুনে গ্রেপ্তার ‘রহস্যময় গাড়ি’র চালক

নিউ মার্কেটের হোটেলে খুন হন উল্টোডাঙার গৃহবধূ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৮, ১১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৮, ১১:২৪

options
link
অর্চনা পালংদার খুনে গ্রেপ্তার ‘রহস্যময় গাড়ি’র চালক zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: অবশেষে পর্দা উঠতে চলেছে অর্চনা পালংদার হত্যা রহস্যে।  বুধবার রাতে বালি থেকে গ্রেপ্তার কত হয় বিজয় যাদব নাম এক অভিযুক্তকে।  তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতের গাড়ি করেই উল্টোডাঙার ওই গৃহবধূর লাশ পাচার করা হয়। বৃহস্পতিবার ধৃত বিজয় যাদবকে আলিপুর আদালতে তোলা হবে। এনিয়ে এই হত্যাকাণ্ডে দু’জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।

[সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, অনলাইন বাজি অফারে ব্রাত্য শহরবাসী]

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, হত্যার পর অর্চনার লাশ পাচার করা হয় বিজয়ের গাড়িতে।  আগেই হোটেলকর্মী আশিস যাদবকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।  তাকে জেরা করেই বিজয়ের সন্ধান মেলে।  পুলিশের সন্দেহের তালিকাতে রয়েছেন নিউ মার্কেটের ‘হোটেল আটলান্টিকা’-এর মালিক অর্জুন কাপুর, পলাতক ম্যানেজার জয়দেব মাহাত, তার বাবা হরিহর ও হোটেলের কয়েকজন কর্মীও। ধৃত বিজয় পলাতক হরিহরের ভাই। তাকে জেরা করলে সমস্ত রহস্য ফাঁস হয়ে যাবে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। যদিও ধৃতের দাবি, তাঁর গাড়িতে লাশ পাচার হচ্ছে, তা টেরই পায়নি সে। ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই যুক্ত নয় সে। এদিকে হোটেল মালিক অর্জুন কাপুর আগেই জানিয়েছিলেন, হোটেল চালানোর যাবতীয় দায়িত্ব ছিল ম্যানেজার জয়দেবের উপর। হোটেলের ২ নম্বর রুমে গৃহবধূ খুনের বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না।

উল্লেখ্য, সেপ্টেম্বর মাসে আনন্দপুর পশ্চিম চৌবাগা এলাকার খাল থেকে গৃহবধূ অর্চনা পালংদারের বস্তাবন্দি দেহ মেলে। প্রথমে পরিচয় জানা না গেলেও তদন্তে নেমে মৃতার বাড়ির খোঁজ পায় পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছিলেন, একদিন আগেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন অর্চনা। আগেও তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, স্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ এনে এফআইআরও করেছিলেন অর্চনা পালংদারের স্বামী। সেই সূত্র ধরেই তদন্তে নামে পুলিশ। মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন সূত্র ঘেঁটে জানা যায়, ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা বলরাম নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল অর্চনার। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, বলরামই এই খুনের সঙ্গে যুক্ত। বলরামের সন্ধানে ঝাড়খণ্ডেও গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। তারপরই মেলে অর্চনার প্রেমিক বলরামের লাশ।  সব মিলিয়ে আরও জমাট বাঁধে রহস্য।                     

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.