২০ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

আরজি কর হাসপাতাল থেকে পলাতক, ১০ ঘণ্টা পর ফের বন্দিকে ধরল পুলিশ

Published by: Tanumoy Ghosal |    Posted: August 20, 2019 11:17 am|    Updated: August 20, 2019 11:18 am

An Images

অর্ণব আইচ:  রাতে যখন মৃতদেহের চোখ উধাও নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড চলছে, তখন আরজি কর হাসপাতাল থেকে পালিয়েছিল চিকিৎসাধীন এক বন্দি। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। রাতভর তল্লাশি চালিয়ে মঙ্গলবার ভোরে বেলগাছিয়া সেতুর নিচ থেকে ওই বন্দিকে ধরে ফেললেন পুলিশ আধিকারিকরা।

[আরও পড়ুন: মর্গে মৃতদেহের দুটি চোখ খুবলে খেল ইঁদুর! ধুন্ধুমার আরজি কর হাসপাতালে]

বন্দির নাম রাজু মণ্ডল। ধর্ষণের মামলায় জেল খাটছে সে। দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে ছিল রাজু। দিন কয়েক আগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে আনা হয় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ছয়তলায় পুরুষদের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসা চলছিল রাজুর। যে ঘরে তাকে রাখা হয়েছিল, সেই ঘরে পাহারায় ছিলেন সংশোধনাগারের দু’জন প্রহরীও। কিন্তু, সকলের চোখ এড়িয়ে সোমবার রাতে শৌচাগারে যাওয়ার নাম করে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় রাজু। ঘটনাটি ঘটেছে রাত সাড়ে এগারোটা থেকে বারোটার মধ্যে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তদন্তে নেমে প্রথমে আরজি কর হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। সোমবার রাতভর চলে তল্লাশি। শেষপর্যন্ত মঙ্গলবার ভোরে হাসপাতাল লাগোয়া বেলগাছিয়া সেতুর নিচ থেকে রাজু মণ্ডলকে ধরে ফেলেন পুলিশ আধিকারিকরা। ঘটনার পর তখন প্রায় দশ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। ধর্ষণের অভিযোগ তো ছিলই, হাসপাতাল থেকে পালানোর ঘটনার রাজুর বিরুদ্ধে ফের নতুন করে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

কিন্তু সকলের নজর এড়িয়ে আরজি কর হাসপাতালে কীভাবে পালালো দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের বন্দি রাজু মণ্ডল?  জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছয়তলায় একটি জানলার পাল্লা দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেই জানলা দিয়ে জলের পাইপ বেয়ে নিচে নেমে যায় রাজু। তারপর চম্পট দেয়। ঘটনায় আরজি কর হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

[ আরও পড়ুন: জাগুয়ার দুর্ঘটনার পর পালটে গেছে জীবন, জেলে ডাল-রুটিই জুটছে পারভেজ আরসালানের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement