সম্যক খান, মেদিনীপুর: টানা চারমাসের লড়াই শেষ। মেদিনীপুর মেডিক্যালের স্যালাইন কাণ্ডে ফের মৃত্যু এক প্রসূতির। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ওই প্রসূতি। একটানা ডায়ালিসিসের জেরে ক্রমশ শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল তাঁর। সে কারণে ওই প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি চিকিৎসকদের। প্রসূতির মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই শোকস্তব্ধ গোটা পরিবার।
চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি, মেদিনীপুর মেডিক্যালে পাঁচ প্রসূতি সন্তানের জন্ম দেন। তাঁরা হলেন রেখা সাউ, মামণি রুইদাস, মাম্পি সিং, মিনারা বিবি এবং নাসরিন খাতুন। নাসরিনই ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। অভিযোগ, মেয়াদোত্তীর্ণ রিঙ্গার্স ল্যাকটেট স্যালাইনে অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁরা। সন্তান জন্ম দেওয়ার পরপরই মৃত্যু হয় মামণির। বাকি চারজনের অবস্থা ক্রমশ আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠে। একমাত্র রেখা ওই হাসপাতালে থেকে সুস্থ হয়ে ওঠেন। বাকি মাম্পি, মিনারা এবং নাসরিনকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। টানা চিকিৎসায় মাম্পি, মিনারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। তবে একটানা প্রায় চারমাস হাসপাতালেই ছিলেন নাসরিন।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, ধীরে ধীরে নাকি সুস্থতার পথেই এগোচ্ছিলেন নাসরিন। আইসিইউ থেকে জেনারেল বেডেও দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। তবে ৯ মে থেকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। রবিবার রাতে মৃত্যু হয় তাঁর। চিকিৎসকদের দাবি, একটানা ডায়ালিসিসের ধাক্কা সহ্য করতে পারেননি নাসরিন। সে কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। একরত্তি সন্তানকে ছুঁয়ে দেখার স্বপ্ন ছিল নাসরিনের। সে স্বপ্নপূরণের আগেই সব শেষ। নাসরিনের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবারের লোকজন।
সর্বশেষ খবর
-
মার ঝাড়ু মার! বিশ্বকাপের মঞ্চেও অমলিন জাপানি সূর্যোদয়
-
কংগ্রেসের সঙ্গে মিশছে শরদ পওয়ারের দল! কথাবার্তা চূড়ান্ত পর্যায়ে! কী শর্তে?
-
উত্তরবঙ্গের ক্ষুদ্র চা চাষিদের কেন্দ্রের পোর্টালে যুক্ত করা হোক, শুভেন্দুকে চিঠি বাগান মালিকদের
-
ধর্ম বদল বিতর্ক তুঙ্গে! নিজেকে ‘নাস্তিক’ দাবি করেও কেন কামাখ্যায় পুজো উরফির?
-
‘বৈভব থাকলে প্যান্ট খুলে দিত’, বিস্ময় কিশোরকে বাদ দেওয়ায় নির্বাচকদের তোপ শাস্ত্রী-গাভাসকরের